২৩/৮৬. অধ্যায়ঃ
কবরের আযাব সম্পর্কে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে।
وَقَوْلُهُ تَعَالَى وَلَوْ تَرَى إِذِ الظَّالِمُونَ فِي غَمَرَاتِ الْمَوْتِ وَالْمَلَائِكَةُ بَاسِطُو أَيْدِيهِمْ أَخْرِجُوا أَنْفُسَكُمُ الْيَوْمَ تُجْزَوْنَ عَذَابَ الْهُونِ قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ الْهُونُ هُوَ الْهَوَانُ وَالْهُونُ الرِّفْقُ وَقَوْلُهُ جَلَّ ذِكْرُهُ سَنُعَذِّبُهُمْ مَرَّتَيْنِ ثُمَّ يُرَدُّونَ إِلَى عَذَابٍ عَظِيمٍ وَقَوْلُهُ تَعَالَى وَحَاقَ بِآلِ فِرْعَوْنَ سُوءُ الْعَذَابِ النَّارُ يُعْرَضُونَ عَلَيْهَا غُدُوًّا وَعَشِيًّا وَيَوْمَ تَقُومُ السَّاعَةُ أَدْخِلُوا آلَ فِرْعَوْنَ أَشَدَّ الْعَذَابِআল্লাহ তা‘আলার বাণী: (যার অর্থ) “আর যদি আপনি দেখেন যখন জালিমরা মৃত্যু যন্ত্রণায় পতিত হয়ে এবং ফেরেশতারা হাত বাড়িয়ে বলে: “বের কর তোমাদের প্রাণ!” আজ তোমাদেরকে অবমাননাকর আযাব প্রদান করা হবে” (আল-আন‘আম (৬) : ৯৩)। আবূ ‘আবদুল্লাহ [ইমাম বুখারী (রহ.)] বলেন, الهون অর্থ الهَوَان অর্থাৎ অবমাননা। (আর সূরা আল-ফুরকানের ৬৩ আয়াতে) الهون অর্থ الرفق অর্থাৎ নম্রতা। আল্লাহ তা‘আলার বাণী: (যার অর্থ) “অচিরেই আমি তাদেরকে দু’বার (বারবার) শাস্তি দিব। পরে তারা প্রত্যাবর্তিত হবে মহাশাস্তির দিকে” (আত-তাওবা (৯) : ১০১)। এবং তাঁর বাণী: (যার অর্থ) “আর নিকৃষ্ট (কঠিন) শাস্তি ফির‘আউন জাতিকে ঘিরে ফেলল, সকাল সন্ধ্যায় তাদেরকে উপস্থিত করা হয় জাহান্নামের সামনে, আর যে দিন কিয়ামাত সংঘটিত হবে (সেদিন বলা হবে) ফির‘আউন গোষ্ঠীকে প্রবিষ্ট কর কঠিন শাস্তিতে।” (গাফির: ৪৫-৪৬)"
সহিহ বুখারী : ১৩৭২
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ১৩৭২
حَدَّثَنَا عَبْدَانُ، أَخْبَرَنِي أَبِي، عَنْ شُعْبَةَ، سَمِعْتُ الأَشْعَثَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ أَنَّ يَهُودِيَّةً، دَخَلَتْ عَلَيْهَا، فَذَكَرَتْ عَذَابَ الْقَبْرِ، فَقَالَتْ لَهَا أَعَاذَكِ اللَّهُ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ. فَسَأَلَتْ عَائِشَةُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ عَذَابِ الْقَبْرِ فَقَالَ " نَعَمْ عَذَابُ الْقَبْرِ ". قَالَتْ عَائِشَةُ ـ رضى الله عنها ـ فَمَا رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعْدُ صَلَّى صَلاَةً إِلاَّ تَعَوَّذَ مِنْ عَذَابِ الْقَبْرِ. زَادَ غُنْدَرٌ " عَذَابُ الْقَبْرِ حَقٌّ ".
‘আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
এক ইয়াহুদি স্ত্রীলোক আয়েশা (রাঃ)-এর কাছে এসে কবরের আযাব সম্পর্কে আলোচনা করে তাঁকে (দোয়া করে) বলল, আল্লাহ আপনাকে কবরের আযাব হতে রক্ষা করুন! পরে আয়েশা (রাঃ) কবরের আযাব সম্পর্কে আল্লাহর রসূল (ﷺ)-এর নিকট জিজ্ঞেস করলেন। তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, কবরের আযাব (সত্য)।আয়েশা (রাঃ) বলেন, এরপর থেকে নবী (ﷺ)-কে এমন কোন সালাত আদায় করতে দেখিনি, যাতে তিনি কবরের আযাব হতে আল্লাহর নিকট আশ্রয় প্রার্থনা করেননি। গুনদার (রহঃ) অধিক উল্লেখ করেছেন যে, ‘কবরের আযাব একেবারে বাস্তব’।
