৪৩/১৪. অধ্যায়ঃ
ঋণ, বিক্রয় ও আমানত হিসেবে রক্ষিত নিজ সম্পদ কেউ যদি দেউলিয়া লোকের নিকট পায় তবে সে-ই তার অধিকারী।
وَقَالَ الْحَسَنُ إِذَا أَفْلَسَ وَتَبَيَّنَ لَمْ يَجُزْ عِتْقُهُ وَلَا بَيْعُهُ وَلَا شِرَاؤُهُ وَقَالَ سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ قَضَى عُثْمَانُ مَنْ اقْتَضَى مِنْ حَقِّهِ قَبْلَ أَنْ يُفْلِسَ فَهُوَ لَهُ وَمَنْ عَرَفَ مَتَاعَهُ بِعَيْنِهِ فَهُوَ أَحَقُّ بِهِহাসান [বসরী (রহ.)] বলেন, যদি সে প্রকাশ্যে দেউলিয়া (নিঃসম্বল) হয়ে যায়, তাহলে তার দাসমুক্তি ও ক্রয়-বিক্রয় জায়েয নয়। সাঈদ ইবন মুসাইয়্যাব (রহ.) বলেন, উসমান (রা.) ফায়সালা দিয়েছেন যে, কারো নিঃসম্বল ঘোষিত হওয়ার আগে যদি কেউ তার প্রাপ্য আদায় করে নেয়, তবে তা তারই। আর যে তার মাল সনাক্ত করতে পারে, সে তার বেশী হকদার।"
সহিহ বুখারী : ২৪০২
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৪০২
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ، أَخْبَرَهُ أَنَّ أَبَا بَكْرِ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، سَمِعَ أَبَا هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَوْ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مَنْ أَدْرَكَ مَالَهُ بِعَيْنِهِ عِنْدَ رَجُلٍ أَوْ إِنْسَانٍ قَدْ أَفْلَسَ، فَهْوَ أَحَقُّ بِهِ مِنْ غَيْرِهِ ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রসূল (ﷺ) বলেছেন, কিংবা তিনি বলেছেন যে, আমি আল্লাহর রসূল (ﷺ)-কে বলতে শুনেছি, যখন কেউ তার মাল এমন লোকের কাছে পায়, যে নিঃসম্বল হয়ে গেছে, তবে অন্যের চেয়ে সে-ই তার বেশী হকদার।আবু আবদুল্লাহ [ইমাম বুখারি (রহঃ)] বলেন, এ সনদে উল্লেখিত রাবীগণ বিচারকের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন। তারা হলেন ইয়াহিয়া ইবনু সাঈদ, আবু বকর ইবনু মুহাম্মাদ, উমর ইবনু আব্দুল আজিজ, আবু বকর ইবনু আব্দুর রহমান (রহঃ) ও আবু বকর (রহঃ)। তারা সকলেই মদীনায় বিচারক ছিলেন।
