৫৬/১০২. অধ্যায়ঃ
ইসলাম ও নবুওয়াতের দিকে নবী (ﷺ)-এর আহ্বান আর মানুষ যেন আল্লাহ ব্যতীত তাদের পরস্পরকে রব হিসেবে গ্রহণ না করে।
وَقَوْلِهِ تَعَالَى ﴿مَا كَانَ لِبَشَرٍ أَنْ يُؤْتِيَهُ اللَّهُ الْكِتَابَ إِلَى آخِرِ﴾ (آل عمران : ٧٩) الآيَةَআল্লাহ তা‘আলার বাণী: “আল্লাহ কোনো লোককে কিতাব, হিকমাত ও নবুওয়াত দান করবেন তারপর সে লোকদের বলবে: তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে আমার বান্দা হয়ে যাও এমন কথা শোভা পায় না? বরং সে বলবে: তোমরা আল্লাহওয়ালা হয়ে যাও, এজন্য যে, তোমরা শিখাও কিতাব এবং নিজেরাও পাঠ কর।” (আলে ‘ইমরান ৭৯)"
সহিহ বুখারী : ২৯৪০
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ২৯৪০
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيْمُ بْنُ حَمْزَةَ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيْمُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ عُبَيْدِ اللهِ بْنِ عَبْدِ اللهِ بْنِ عُتْبَةَ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم كَتَبَ إِلَى قَيْصَرَ يَدْعُوْهُ إِلَى الْإِسْلَامِ وَبَعَثَ بِكِتَابِهِ إِلَيْهِ مَعَ دِحْيَةَ الْكَلْبِيِّ وَأَمَرَهُ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَدْفَعَهُ إِلَى عَظِيْمِ بُصْرَى لِيَدْفَعَهُ إِلَى قَيْصَرَ وَكَانَ قَيْصَرُ لَمَّا كَشَفَ اللهُ عَنْهُ جُنُوْدَ فَارِسَ مَشَى مِنْ حِمْصَ إِلَى إِيْلِيَاءَ شُكْرًا لِّمَا أَبْلَاهُ اللهُ فَلَمَّا جَاءَ قَيْصَرَ كِتَابُ رَسُوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ حِيْنَ قَرَأَهُ الْتَمِسُوْا لِيْ هَا هُنَا أَحَدًا مِنْ قَوْمِهِ لِأَسْأَلَهُمْ عَنْ رَسُوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রসূল (ﷺ) কায়সারকে ইসলামের প্রতি আহ্বান জানিয়ে চিঠি লেখেন এবং দিহিয়া কালবি (রাঃ)-এর মারফত সে চিঠি পাঠান এবং তাঁকে আল্লাহর রসূল (ﷺ) নির্দেশ দেন যেন তা বুসরার গভর্নরের নিকট দেওয়া হয়, যাতে তিনি তা কায়সারের নিকট পৌঁছিয়ে দেন। আল্লাহ যখন পারস্যের সৈন্যবাহিনীকে কায়সারের এলাকা থেকে হটিয়ে দেন, তখন আল্লাহর অনুগ্রহের এই শুকরিয়া হিসেবে কায়সার হিমস থেকে পায়ে হেঁটে বায়তুল মুকাদ্দাস সফর করেন। এ সময় তাঁর নিকট আল্লাহর রসূল (ﷺ)-এর চিঠি এসে পৌঁছলে তা পাঠ করে তিনি বললেন যে, তাঁর গোত্রের কাউকে খোঁজ কর যাতে আমি আল্লাহর রসূল (ﷺ) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে পারি।
