৫৭/১৫. অধ্যায়ঃ

যিনি বলেন, এক পঞ্চমাংশ মুসলিমদের প্রয়োজন পূরণের উদ্দেশ্যে।

مَا سَأَلَ هَوَازِنُ النَّبِيَّ ﷺ بِرَضَاعِهِ فِيهِمْ فَتَحَلَّلَ مِنَ الْمُسْلِمِينَ وَمَا كَانَ النَّبِيُّ ﷺ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَعِدُ النَّاسَ أَنْ يُعْطِيَهُمْ مِنَ الْفَيْءِ وَالْأَنْفَالِ مِنَ الْخُمُسِ وَمَا أَعْطَى الْأَنْصَارَ وَمَا أَعْطَى جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ تَمْرَ خَيْبَرَএর প্রমাণ: হাওয়াযিন, তাদের গোত্রে নবী (ﷺ)-এর দুধ পানের সৌজন্যে তারা যে আবেদন করছিল, তারই কারণে মুসলিমদের নিকট থেকে তাদের সে দাবী আদায় করিয়ে নেন। ‘নবী (ﷺ) লোকদেরকে ফায় ও গনীমত-এর অংশ নিকট হতে খুমুস দানের যে প্রতিশ্রুতি দান করতেন।’ ‘আর যা তিনি আনসারদের প্রদান করেছেন’ এবং ‘যা তিনি খায়বারের খেজুর হতে জাবির ইবন ‘আবদুল্লাহ (রা.)-কে দান করেছেন।’"

সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৩১৩৭

حَدَّثَنَا عَلِيٌّ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُنْكَدِرِ سَمِعَ جَابِرًا قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم لَوْ قَدْ جَاءَنِيْ مَالُ الْبَحْرَيْنِ لَقَدْ أَعْطَيْتُكَ هَكَذَا وَهَكَذَا وَهَكَذَا فَلَمْ يَجِئْ حَتَّى قُبِضَ النَّبِيُّ فَلَمَّا جَاءَ مَالُ الْبَحْرَيْنِ أَمَرَ أَبُوْ بَكْرٍ مُنَادِيًا فَنَادَى مَنْ كَانَ لَهُ عِنْدَ رَسُوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم دَيْنٌ أَوْ عِدَةٌ فَلْيَأْتِنَا فَأَتَيْتُهُ فَقُلْتُ إِنَّ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِيْ كَذَا وَكَذَا فَحَثَا لِيْ ثَلَاثًا وَجَعَلَ سُفْيَانُ يَحْثُوْ بِكَفَّيْهِ جَمِيْعًا ثُمَّ قَالَ لَنَا هَكَذَا قَالَ لَنَا ابْنُ الْمُنْكَدِرِ وَقَالَ مَرَّةً فَأَتَيْتُ أَبَا بَكْرٍ فَسَأَلْتُ فَلَمْ يُعْطِنِيْ ثُمَّ أَتَيْتُهُ فَلَمْ يُعْطِنِيْ ثُمَّ أَتَيْتُهُ الثَّالِثَةَ فَقُلْتُ سَأَلْتُكَ فَلَمْ تُعْطِنِيْ ثُمَّ سَأَلْتُكَ فَلَمْ تُعْطِنِيْ ثُمَّ سَأَلْتُكَ فَلَمْ تُعْطِنِيْ فَإِمَّا أَنْ تُعْطِيَنِيْ وَإِمَّا أَنْ تَبْخَلَ عَنِّيْ قَالَ قُلْتَ تَبْخَلُ عَنِّيْ مَا مَنَعْتُكَ مِنْ مَرَّةٍ إِلَّا وَأَنَا أُرِيْدُ أَنْ أُعْطِيَكَقَالَ سُفْيَانُ وَحَدَّثَنَا عَمْرٌو عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيٍّ عَنْ جَابِرٍ فَحَثَا لِيْ حَثْيَةً وَقَالَ عُدَّهَا فَوَجَدْتُهَا خَمْسَ مِائَةٍ قَالَ فَخُذْ مِثْلَهَا مَرَّتَيْنِ وَقَالَ يَعْنِيْ ابْنَ الْمُنْكَدِرِ وَأَيُّ دَاءٍ أَدْوَأُ مِنْ الْبُخْلِ

জাবির ইব্‌নু ‘আবদুল্লাহ্‌ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন, “যদি আমার নিকট বাহরাইনের মাল আসে, তবে আমি তোমাকে (দুই হাত মিলিয়ে) এ পরিমাণ ও এ পরিমাণ দান করব।” নবী (ﷺ)-এর মৃত্যু অবধি তা এলো না। অতঃপর যখন বাহরাইনের মাল এল, তখন আবু বকর (রাঃ) ঘোষণাকারীকে এ ঘোষণা দেয়ার আদেশ করলেন যে, “আল্লাহর রসূল (ﷺ)-এর নিকট যার কোন ঋণ বা ওয়াদা আছে, সে যেন আমার নিকট আসে।” অতঃপর আমি তাঁর নিকট গিয়ে বললাম, “আল্লাহর রসূল (ﷺ) আমাকে এত এত ও এত দেয়ার কথা বলেছেন।” তখন আবু বকর (রাঃ) তিনবার আঁজলা ভরে দান করেন। সুফিয়ান (রহঃ) তাঁর দুই হাত একত্র করে আঁজলা করে আমাদের বললেন, “ইব্‌নু মুনকাদির এরূপই বলেছেন।”জাবির (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমি (জাবির) আবু বকর (রাঃ)–এর নিকট এলাম এবং তাঁর নিকট চাইলাম। তিনি আমাকে দিলেন না। আবার আমি তাঁর নিকট এলাম। তখনও তিনি আমাকে দিলেন না। আবার আমি তাঁর নিকট তৃতীয়বার এসে বললাম, “আমি আপনার নিকট চেয়েছি, আপনি আমাকে দেননি। আবার আমি আপনার নিকট চেয়েছি, আপনি আমাকে দেননি। এখন আমাকে আপনি দেবেন, না হয় আমার সঙ্গে কৃপণতা করবেন না।”আবু বকর (রাঃ) বললেন, “তুমি আমাকে বলছ, ‘কৃপণতা করবেন?’ আমি যতবারই তোমাকে দিতে অস্বীকার করি না কেন, আমার ইচ্ছা ছিল যে, আমি তোমাকে দেই।”সুফিয়ান (রহঃ) বলেন, আম্‌র (রহঃ) মুহাম্মাদ ইবন আলী (রহঃ) সূত্রে জাবির (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন, (তিনি বলেন) আবু বকর (রাঃ) আমাকে এক আঁজলা দিয়ে বললেন, এটা গুণে নাও। আমি গণনা করে দেখলাম, পাঁচ শত। তখন তিনি বললেন, এ রকম আরও দু’বার নিয়ে নাও। আর ইব্‌নুল মুনকাদিরের বর্ণনায় আছে যে, [আবু বকর (রাঃ) বলেছেন], “কৃপণতার চেয়ে বড় রোগ কি হতে পারে?”

(২২৯৬) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ২৯০২,ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ২৯১৩)

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন