৫৯/১১. অধ্যায়ঃ
ইবলীস ও তার বাহিনীর বর্ণনা
وَقَالَ مُجَاهِدٌ ﴿يَقْذِفُونَ﴾ يَرْمُونَ ﴿دُحُورًا﴾ مَطْرُودِينَ ﴿وَاصِبٌ﴾ دَائِمٌ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ ﴿مَدْحُورًا﴾ مَطْرُودًا يُقَالُ ﴿مَرِيدًا﴾ مُتَمَرِّدًا ﴿بَتَّكَهُ﴾ قَطَعَهُ ﴿وَاسْتَفْزِزْ﴾ اسْتَخِفَّ ﴿بِخَيْلِكَ﴾ الفُرْسَانُ ﴿وَالرَّجِلُ﴾ الرَّجَّالَةُ وَاحِدُهَا رَاجِلٌ مِثْلُ صَاحِبٍ وَصَحْبٍ وَتَاجِرٍ وَتَجْرٍ ﴿لَاحْتَنِكَنَّ﴾ لَأَسْتَأْصِلَنَّ ﴿قَرِينٌ﴾ شَيْطَانٌমুজাহিদ (রহ.) বলেন, يَقْذِفُونَ তাদের নিক্ষেপ করা হবে। دُحُورًا তাদের হাঁকিয়ে বের করে দেয়া হবে। وَاصِبٌ স্থায়ী। আর ইবন ‘আব্বাস (রা.) বলেন, مَدْحُورًا হাঁকিয়ে বের করা অবস্থায়। مَرِيدًا বিদ্রোহীৰূপে। بَتَّكَهُ তাকে ছিন্ন করেছে। وَاسْتَفْزِزْ তুমি ভয় দেখাও। بِخَيْلِكَ অশ্বারোহী। وَالرَّجِلُ পদাতিকগণ। এর একবচন رَاجِلٌ যেমন صَاحِب এর বহুবচন صَحْب আর تَاجِر এর বহুবচন تَجْرٍ لَاحْتَنِكَنَّ অবশ্যই আমি সমূলে উৎপাটন করব। قَرِينٌ শয়তান।"
সহিহ বুখারী : ৩২৮৫
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৩২৮৫
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " إِذَا نُودِيَ بِالصَّلاَةِ أَدْبَرَ الشَّيْطَانُ وَلَهُ ضُرَاطٌ، فَإِذَا قُضِيَ أَقْبَلَ، فَإِذَا ثُوِّبَ بِهَا أَدْبَرَ، فَإِذَا قُضِيَ أَقْبَلَ، حَتَّى يَخْطِرَ بَيْنَ الإِنْسَانِ وَقَلْبِهِ، فَيَقُولُ اذْكُرْ كَذَا وَكَذَا. حَتَّى لاَ يَدْرِي أَثَلاَثًا صَلَّى أَمْ أَرْبَعًا فَإِذَا لَمْ يَدْرِ ثَلاَثًا صَلَّى أَوْ أَرْبَعًا سَجَدَ سَجْدَتَىِ السَّهْوِ ".
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন, যখন সালাতের জন্য আজান দেয়া হয় তখন শয়তান সশব্দে বায়ু ছাড়তে ছাড়তে পালাতে থাকে। আজান শেষ হলে সামনে এগিয়ে আসে। আবার যখন ইকামত দেয়া হয় তখন আবার পালাতে থাকে। ইকামত শেষ হলে আবার সামনে আসে এবং মানুষের মনে খটকা সৃষ্টি করতে থাকে আর বলতে থাকে ওটা ওটা মনে কর। এমন কি সে ব্যক্তি আর মনে রাখতে পারে না যে, সে কি তিন রাকাত পড়ল না চার রাকাত পড়ল। এরকম যদি কারো হয়ে যায়, সে মনে রাখতে পারে না তিন রাকাত পড়েছে না কি চার রাকাত তখন সে যেন দু’টি সাহু সিজদা করে।
