৫৯/১১. অধ্যায়ঃ
ইবলীস ও তার বাহিনীর বর্ণনা
وَقَالَ مُجَاهِدٌ ﴿يَقْذِفُونَ﴾ يَرْمُونَ ﴿دُحُورًا﴾ مَطْرُودِينَ ﴿وَاصِبٌ﴾ دَائِمٌ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ ﴿مَدْحُورًا﴾ مَطْرُودًا يُقَالُ ﴿مَرِيدًا﴾ مُتَمَرِّدًا ﴿بَتَّكَهُ﴾ قَطَعَهُ ﴿وَاسْتَفْزِزْ﴾ اسْتَخِفَّ ﴿بِخَيْلِكَ﴾ الفُرْسَانُ ﴿وَالرَّجِلُ﴾ الرَّجَّالَةُ وَاحِدُهَا رَاجِلٌ مِثْلُ صَاحِبٍ وَصَحْبٍ وَتَاجِرٍ وَتَجْرٍ ﴿لَاحْتَنِكَنَّ﴾ لَأَسْتَأْصِلَنَّ ﴿قَرِينٌ﴾ شَيْطَانٌমুজাহিদ (রহ.) বলেন, يَقْذِفُونَ তাদের নিক্ষেপ করা হবে। دُحُورًا তাদের হাঁকিয়ে বের করে দেয়া হবে। وَاصِبٌ স্থায়ী। আর ইবন ‘আব্বাস (রা.) বলেন, مَدْحُورًا হাঁকিয়ে বের করা অবস্থায়। مَرِيدًا বিদ্রোহীৰূপে। بَتَّكَهُ তাকে ছিন্ন করেছে। وَاسْتَفْزِزْ তুমি ভয় দেখাও। بِخَيْلِكَ অশ্বারোহী। وَالرَّجِلُ পদাতিকগণ। এর একবচন رَاجِلٌ যেমন صَاحِب এর বহুবচন صَحْب আর تَاجِر এর বহুবচন تَجْرٍ لَاحْتَنِكَنَّ অবশ্যই আমি সমূলে উৎপাটন করব। قَرِينٌ শয়তান।"
সহিহ বুখারী : ৩২৯০
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৩২৯০
حَدَّثَنَا زَكَرِيَّاءُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، قَالَ هِشَامٌ أَخْبَرَنَا عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، رضى الله عنها قَالَتْ لَمَّا كَانَ يَوْمَ أُحُدٍ هُزِمَ الْمُشْرِكُونَ فَصَاحَ إِبْلِيسُ أَىْ عِبَادَ اللَّهِ أُخْرَاكُمْ. فَرَجَعَتْ أُولاَهُمْ فَاجْتَلَدَتْ هِيَ وَأُخْرَاهُمْ، فَنَظَرَ حُذَيْفَةُ فَإِذَا هُوَ بِأَبِيهِ الْيَمَانِ فَقَالَ أَىْ عِبَادَ اللَّهِ أَبِي أَبِي. فَوَاللَّهِ مَا احْتَجَزُوا حَتَّى قَتَلُوهُ، فَقَالَ حُذَيْفَةُ غَفَرَ اللَّهُ لَكُمْ. قَالَ عُرْوَةُ فَمَا زَالَتْ فِي حُذَيْفَةَ مِنْهُ بَقِيَّةُ خَيْرٍ حَتَّى لَحِقَ بِاللَّهِ.
‘আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
উহুদের দিন যখন মুশরিকরা পরাজিত হলো, তখন ইবলীস চিৎকার করে বলল, ‘হে আল্লাহর বান্দারা! তোমাদের পিছনের লোকদের থেকে সতর্ক হও।’ কাজেই সামনের লোকেরা পিছনের লোকদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল। ফলে উভয় দলের মধ্যে নতুনভাবে লড়াই শুরু হল। হুযাইফা (রাঃ) হঠাৎ তার পিতা ইয়ামানকে দেখতে পেলেন। তখন তিনি (হুযাইফা) বললেন, ‘হে আল্লাহর বান্দারা! আমার পিতা! আমার পিতা!’ কিন্তু আল্লাহর কসম, তারা বিরত হয়নি। শেষ পর্যন্ত তারা তাঁকে হত্যা করে ফেলল। তখন হুযাইফা (রাঃ) বললেন, ‘আল্লাহ তোমাদের ক্ষমা করুন।’ উরওয়া (রাঃ) বলেন, আল্লাহর সঙ্গে মিলিত হওয়া পর্যন্ত হুযাইফা (রাঃ) দোয়া ও ইস্তিগফার করতে থাকেন।
