৬০/১৯. অধ্যায়ঃ

মহান আল্লাহর বাণীঃ নিশ্চয়ই ইউসুফ এবং তাঁর ভাইদের কাহিনীতে জিজ্ঞাসাকারীদের জন্য অনেক নিদর্শন আছে। (ইউসুফঃ ৭)

সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৩৩৮৯

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي عُرْوَةُ، أَنَّهُ سَأَلَ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ زَوْجَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَرَأَيْتِ قَوْلَهُ ‏{‏حَتَّى إِذَا اسْتَيْأَسَ الرُّسُلُ وَظَنُّوا أَنَّهُمْ قَدْ كُذِّبُوا‏}‏ أَوْ كُذِبُوا‏.‏ قَالَتْ بَلْ كَذَّبَهُمْ قَوْمُهُمْ‏.‏ فَقُلْتُ وَاللَّهِ لَقَدِ اسْتَيْقَنُوا أَنَّ قَوْمَهُمْ كَذَّبُوهُمْ وَمَا هُوَ بِالظَّنِّ‏.‏ فَقَالَتْ يَا عُرَيَّةُ، لَقَدِ اسْتَيْقَنُوا بِذَلِكَ‏.‏ قُلْتُ فَلَعَلَّهَا أَوْ كُذِبُوا‏.‏ قَالَتْ مَعَاذَ اللَّهِ، لَمْ تَكُنِ الرُّسُلُ تَظُنُّ ذَلِكَ بِرَبِّهَا وَأَمَّا هَذِهِ الآيَةُ قَالَتْ هُمْ أَتْبَاعُ الرُّسُلِ الَّذِينَ آمَنُوا بِرَبِّهِمْ وَصَدَّقُوهُمْ، وَطَالَ عَلَيْهِمُ الْبَلاَءُ، وَاسْتَأْخَرَ عَنْهُمُ النَّصْرُ حَتَّى إِذَا اسْتَيْأَسَتْ مِمَّنْ كَذَّبَهُمْ مِنْ قَوْمِهِمْ، وَظَنُّوا أَنَّ أَتْبَاعَهُمْ كَذَّبُوهُمْ جَاءَهُمْ نَصْرُ اللَّهِ‏.‏ قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ ‏{‏اسْتَيْأَسُوا‏}‏ افْتَعَلُوا مِنْ يَئِسْتُ‏.‏ ‏{‏مِنْهُ‏}‏ مِنْ يُوسُفَ‏.‏ ‏{‏لاَ تَيْأَسُوا مِنْ رَوْحِ اللَّهِ‏}‏ مَعْنَاهُ الرَّجَاءُ‏.‏

‘উরওয়াহ ইবনু যুবাইর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি নবী (ﷺ)-এর সহধর্মিণী আয়িশা (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ كُذِبُوْا حَتَّى إِذَا اسْتَيْأَسَ الرُّسُلُ وَظَنُّوْا أَنَّهُمْ قَدْ আয়াতাংশের মধ্যে كُذِّبُوْا হবে, না كُذِبُوْا হবে? (যাল হরফে তাশদীদ সহ পড়তে হবে না তাশদীদ ব্যতীত)? আয়িশা (রাঃ) বলেন, (এখানে كُذِبُوْا নয়, كُذِّبُوْا হবে) কেননা, তাঁদের কওম তাঁদেরকে মিথ্যাচারী বলেছিল। আমি বললাম, মহান আল্লাহর কসম, রসূলগণের দৃঢ় প্রত্যয় ছিল যে, তাঁদের কওম তাদেরকে মিথ্যাচারী বলেছে, আর তাতো সন্দেহের বিষয় ছিল না। (কাজেই এখানে كُذِّبُوْ হবে কিভাবে?) তখন আয়িশা (রাঃ) বলেন, হে ‘উরাইয়া! এ ব্যাপারে তো তাদের দৃঢ় বিশ্বাস ছিল। আমি বললাম, সম্ভবতঃ এখানে كُذِبُوْا হবে। আয়িশা (রাঃ) বলেন, মা‘আযাল্লাহ! রসূলগণ কখনো আল্লাহ সম্পর্কে এরূপ ধারণা করতেন না। (অর্থাৎ كُذِبُوْا হলে অর্থ দাঁড়ায়, আল্লাহ তা’আলা রসূলগণের সঙ্গে মিথ্যা বলেছেন। অথচ রসূলগণ কখনো এরূপ ধারণা করতে পারে না।) তবে এ আয়াত সম্পর্কে আয়িশা (রাঃ) বলেন, তারা রসূলগণের অনুসারী যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছেন এবং রসূলগণকে বিশ্বাস করেছেন। তাঁদের উপর পরীক্ষা দীর্ঘায়িত হয়। তাঁদের প্রতি সাহায্য পৌঁছতে বিলম্ব হয়। অবশেষে রসূলগণ যখন তাঁদের কওমের লোকদের মধ্যে যারা তাঁদেরকে মিথ্যা মনে করেছে, তাদের ঈমান আনার ব্যাপারে নিরাশ হয়ে গেলেন এবং তাঁরা এ ধারণা করতে লাগলেন যে, তাঁদের অনুসারীগণও তাঁদেরকে মিথ্যাচারী মনে করবেন, ঠিক এ সময়ই মহান আল্লাহর সাহায্য পৌঁছে গেল। ا ستَيْأَسُوْا শব্দটি ا ستَفْعَلُوْا এর ওজনে এসেছে। يئست منه হতে নিস্পন্ন হয়েছে। অর্থাৎ তারা ইউসুফ (আঃ) হতে নিরাশ হয়ে গেছে। لَا تَيْأَسُوْا مِنْ رَوْحِ اللهِ এর অর্থ তোমরা আল্লাহর রহমত হতে নিরাশ হয়ো না।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন