৬০/২২. অধ্যায়ঃ

সহীহ বুখারী হাদিস ৩৩৯৩ - আম্বিয়া কিরাম (আঃ)

মহান আল্লাহর বাণীঃ

﴾وَهَلْ أَتَاكَ حَدِيثُ مُوسَى إِذْ رَأَى نَارًا﴿ إِلَى قَوْلِهِ ﴾بِالْوَادِ الْمُقَدَّسِ طُوًى﴿ابْنُ عَبَّاسٍ ﴾الْمُقَدَّسُ﴿الْمُبَارَكُ ﴾طُوًى﴿ اسْمُ الْوَادِي ﴾سِيرَتَهَا﴿ حَالَتَهَا وَ ﴾النُّهَى﴿ التُّقَى ﴾بِمَلْكِنَا﴿ بِأَمْرِنَا ﴾هَوَى﴿شَقِيَ ﴾فَارِغًا﴿ إِلَّا مِنْ ذِكْرِ مُوسَى ﴾رِدْءًا﴿ كَيْ يُصَدِّقَنِي وَيُقَالُ مُغِيثًا أَوْ مُعِينًا ﴾يَبْطُشُ﴿ وَ﴾يَبْطِشُ﴿ ﴾يَأْتَمِرُونَ﴿ يَتَشَاوَرُونَ ﴾وَالْجَذْوَةُ﴿ قِطْعَةٌ غَلِيظَةٌ مِنَ الْخَشَبِ لَيْسَ فِيهَا لَهَبٌ ﴾سَنَشُدُّ﴿ سَنُعِينُكَ كُلَّمَا عَزَّزْتَ شَيْئًا فَقَدْ جَعَلْتَ لَهُ عَضُدًاوَقَالَ غَيْرُهُ ﴾كُلَّمَا لَمْ يَنْطِقْ بِحَرْفٍ أَوْ فِيهِ تَمْتَمَةٌ أَوْ فَأْفَأَةٌ فَهِيَ عُقْدَةٌ﴿ ﴾أَزْرِي﴿ ظَهْرِي ﴾فَيُسْحِتَكُمْ﴿فَيُهْلِكَكُمْ ﴾الْمُثْلَى﴿ تَأْنِيثُ الْأَمْثَلِ يَقُولُ بِدِينِكُمْ يُقَالُ خُذِ الْمُثْلَى خُذِ الْأَمْثَلَ ﴾ثُمَّ ائْتُوا صَفًّا﴿ (طه : ٦٤)يُقَالُ هَلْ أَتَيْتَ الصَّفَّ الْيَوْمَ يَعْنِي الْمُصَلَّى الَّذِي يُصَلَّى فِيهِ ﴾فَأَوْجَسَ﴿ أَضْمَرَ خَوْفًا فَذَهَبَتِ الْوَاوُ مِنْ خِيفَةًلِكَسْرَةِ الْخَاءِ ﴾فِي جُذُوعِ النَّخْلِ﴿ عَلَى جُذُوعِ ﴾خَطْبُكَ﴿ بَالُكَ ﴾مِسَاسَ﴿ مَصْدَرُ مَاسَّهُ مِسَاسًا﴾لَنَنْسِفَنَّهُ﴿ لَنُذْرِيَنَّهُ ﴾الضَّحَاءُ﴿ الْحَرُّ ﴾قَصِّيهِ﴿ اتَّبِعِي أَثَرَهُ وَقَدْ يَكُونُ أَنْ تَقُصَّ الْكَلَامَ ﴾نَحْنُ نَقُصُّعَلَيْكَ﴿ ﴾عَنْ جُنُبٍ﴿ عَنْ بُعْدٍ وَعَنْ جَنَابَةٍ وَعَنْ اجْتِنَابٍ وَاحِدٌ قَالَ مُجَاهِدٌ ﴾عَلَى قَدَرٍ﴿ مَوْعِدٌ ﴾لَاتَنْيَا﴿ ﴾مَكَانًا سُوًى﴿ : مُنَصَّفٌ بَيْنَهُمْ . لَا تَضْعُفَا ﴾يَبَسًا﴿ : يَابِسًا ﴾مِنْ زِينَةِ الْقَوْمِ﴿ الْحُلِيِّ الَّذِياسْتَعَارُوا مِنْ آلِ فِرْعَوْنَ ﴾فَقَذَفْتُهَا﴿ أَلْقَيْتُهَا أَلْقَى صَنَعَ ﴾فَنَسِيَ مُوسَى﴿ هُمْ يَقُولُونَهُ أَخْطَأَ الرَّبَّ أَنْ لَا يَرْجِعَإِلَيْهِمْ قَوْلًا فِي الْعِجْلِآنَسْتُ অর্থ আমি আগুন দেখেছি। সম্ভবতঃ আমি তোমাদের জন্য তা হতে কিছু জ্বলন্ত আগুন আনতে পারব... (ত্ব-হা ১০) ইবন ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, الْمُقَدَّسُ অর্থ বরকতময়। طُوًى একটি উপত্যকার নাম। سِيرَتَهَا অর্থ তার অবস্থায়। النُّهَى অর্থ আল্লাহভীরু। بِمَلْكِنَا অর্থ আমাদের ইচ্ছামতهَوَى অর্থ ভাগ্যহত হয়েছে। فَارِغًا অর্থ মূসার স্মরণ ব্যতীত সব কিছু থেকে শুনা হয়ে গেল। رِدْءًا অর্থ সাহায্যকারী রূপে যেন সে আমাকে সমর্থন করে।এর অর্থ আরো বলা হয় আর্তনাদে সাড়াদানকারী বা সাহায্যকারী। يَبْطُشُ ও يَبْطِشُ একই অর্থ উভয় কিরাতে। يَأْتَمِرُونَ অর্থ পরস্পর পরামর্শ করা। الْجَذْوَةُ অর্থ সাহায্য করা। বলা হয় صنعه اردأنه على অর্থাৎ আমি তার কাজে সাহায্য করেছি। الْجَذْوَةُ কাঠের বড় টুকরার অঙ্গার যাতে কোনো শিখা। سَنَشُدُّ অর্থ অচিরেই আমি তোমার সাহায্য করব।বলা হয় যখন তুমি কারো সাহায্য করবে তখন তুমি যেন তার পার্শ্বদেশ হয়ে গেলে। এবং অন্যান্যগণ বলেন যে কোনো অক্ষর উচ্চারণ করতে পারে না অথবা তার মুখ হতে তা, তা, ফা, ফা উচ্চারিত হয় তাকেই তোতলামি বলে। أَزْرِي অর্থ আমার পিঠ فَيُسْحِتَكُمْ অর্থ- সে তোমাদেরকে ধ্বংস করে দেবে। الْمُثْلَى শব্দটি امثل শব্দের স্ত্রী লিঙ্গ। আয়াতে উল্লিখিত بِدِينِكُمْ - অর্থ তোমাদের দ্বীন। বলা হয়, خُذِ الْمُثْلَى خُذِ الْأَمْثَلَ অর্থ-উত্তমটি গ্রহণ করো।ثُمَّ ائْتُوا صَفًّا অর্থাৎ তোমরা সারিবদ্ধ হয়ে এসো। বলা হয়, তুমি কি আজ ছফ্ফে উপস্থিত হয়েছিলে অর্থাৎ যেখানে নামায পড়া হয় সেখানে? فَأَوْجَسَ অর্থ- সে অন্তরে ভয় পোষণ করেছে। خِيفَةً মূলে خاء অক্ষরে যের হবার কারণে ياء-و او তে পরিবর্তিত হয়েছে। فِي جُذُوعِ النَّخْلِ এখানে فِي - عَلَى অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। خَطْبُكَ অর্থ- তোমার অবস্থা। مِسَاسَ শব্দটি مَاسَّهُ مِسَاسًا এর মাসদার। অর্থ-তোমার অবস্থা।لَنَنْسِفَنَّهُ অর্থ আমি অবশ্যই তাকে উড়িয়ে দিব। الضَّحَاءُ অর্থ পূর্বাহ্ণ, যখন সূর্যের উষ্ণতা বেড়ে যায়। قَصِّيهِ তুমি তার পিছনে পিছনে যাও। কখনো এ অর্থও ব্যবহৃত হয় যে, তুমি তোমার কথা বলো যেমন, نَحْنُ نَقُصُّ عَلَيْكَ এর মধ্যে এ অর্থ ব্যবহৃত হয়েছে। عَنْ جُنُبٍ অর্থ-দূর থেকে। جَنَابَةٍ -اجْتِنَابِ একই অর্থে ব্যবহৃত হয়। আর মুজাহিদ (রহঃ) বলেন, عَلَى قَدَرٍ অর্থ-নির্ধারিত সময়ে। لَا تَنْيَا অর্থ দুর্বল হয়ো না।مَكَانًا سُوًى অর্থ-তাদের মধ্যবর্তী স্থান। يَبَسًا অর্থ-শুকনা। مِنْ زِينَةِ الْقَوْمِ অর্থ-যে সব অলংকার তারা ফির‘আউনের লোকদের হতে ধার নিয়েছিল। فَقَذَفْتُهَا অর্থ-আমি তা নিক্ষেপ করলাম। أَلْقَى অর্থ বানালো। فَنَسِيَ مُوسَى অর্থ-তারা বলতে লাগল, মূসা রবের তালাশে ভুল পথে গিয়েছে। قَوْلًا لَا يَرْجِعُ إِلَيْهِمْ এর অর্থ-তাদের কোনো কথার প্রতি উত্তর সে দেয় না- এ আয়াতাংশ সামেরীর বাছুর সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে"

সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৩৩৯৩

حَدَّثَنَا هُدْبَةُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ صَعْصَعَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ حَدَّثَهُمْ عَنْ لَيْلَةِ أُسْرِيَ بِهِ حَتَّى أَتَى السَّمَاءَ الْخَامِسَةَ، فَإِذَا هَارُونُ قَالَ هَذَا هَارُونُ فَسَلِّمْ عَلَيْهِ. فَسَلَّمْتُ عَلَيْهِ، فَرَدَّ ثُمَّ قَالَ مَرْحَبًا بِالأَخِ الصَّالِحِ وَالنَّبِيِّ الصَّالِحِ. تَابَعَهُ ثَابِتٌ وَعَبَّادُ بْنُ أَبِي عَلِيٍّ عَنْ أَنَسٍ عَنِ النَّبِيِّ ﷺ.

মালিক ইবনু সা‘সা‘আ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) মিরাজ রাত্রির ঘটনা বর্ণনা করতে গিয়ে তাঁদের নিকট এও বলেন, তিনি যখন পঞ্চম আকাশে এসে পৌঁছলেন, তখন হঠাৎ সেখানে হারূন (আঃ)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ হল। জিবরাঈল (আঃ) বললেন, ইনি হলেন, হারূন (আঃ) তাঁকে সালাম করুন তখন আমি তাঁকে সালাম করলাম। তিনি সালামের জবাব দিয়ে বললেন, মারহাবা পুণ্যবান ভাই ও পুণ্যবান নবী‎। সাবিত এবং ‘আব্বাদ ইব্‌নু আবূ আলী (রহঃ) আনাস (রাঃ) সূত্রে নবী (ﷺ) হতে হাদীস বর্ণনায় ক্বাতাদা (রহঃ)-এর অনুসরণ করেছেন।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন