৬০/৪৩. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৩৪৩০ - আম্বিয়া কিরাম (আঃ)
আল্লাহর বাণীঃ
﴾ذِكْرُ رَحْمَةِ رَبِّكَ عَبْدَهُ زَكَرِيَّا إِذْ نَادَى رَبَّهُ نِدَاءً خَفِيًّا قَالَ رَبِّ إِنِّي وَهَنَ الْعَظْمُ مِنِّي وَاشْتَعَلَ الرَّأْسُ شَيْبًا﴿ إِلَى قَوْلِهِ ﴾لَمْ نَجْعَلْ لَهُ مِنْ قَبْلُ سَمِيًّا﴿ (مريم : ١-٧এ হল আপনার রবের অনুগ্রহের বিবরণ যা তাঁর বান্দা যাকারিয়ার প্রতি করা হয়েছে। ইতিপূর্বে আমি এ নামে কারও নামকরণ করিনি। (মারইয়াম ১-৭)قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ مِثْلًا يُقَالُ ﴾رَضِيًّا﴿ مَرْضِيًّا ﴾عِتِيًّا﴿ عَصِيًّا عَتَا يَعْتُو﴾قَالَ رَبِّ أَنَّى يَكُونُ لِي غُلَامٌ وَكَانَتِ امْرَأَتِي عَاقِرًا وَقَدْ بَلَغْتُ مِنَ الْكِبَرِ عِتِيًّا﴿ إِلَى قَوْلِهِ ﴾ثَلَاثَلَيَالٍ سَوِيًّا﴿ وَيُقَالُ صَحِيحًا ﴾فَخَرَجَ عَلَى قَوْمِهِ مِنَ الْمِحْرَابِ فَأَوْحَى إِلَيْهِمْ أَنْ سَبِّحُوا بُكْرَةًوَعَشِيًّا﴿ (مريم : ١٠-١١) فَأَوْحَى فَأَشَارَ ﴾لِيَحْيَى خُذِ الْكِتَابَ بِقُوَّةٍ﴿ إِلَى قَوْلِهِ ﴾وَيَوْمَ يُبْعَثُ حَيًّا ﴿﴾حَفِيًّا﴿ لَطِيفًا ﴾عَاقِرًا﴿ الذَّكَرُ وَالْأُنْثَى سَوَاءٌইবন ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, سَمِيًّا অর্থ-সমতুল্য। তেমন বলা হয় رَضِيًّا অর্থ مَرْضِيًّا পছন্দনীয়।عِتِيًّا অর্থ عَصِيًّا অর্থাৎ অবাধ্য عَتَا يَعْتُو থেকে গৃহীত। যাকারিয়া বললেন, হে আমার প্রতিপালক! কেমন করে আমার সন্তান হবে? আমার স্ত্রী তো বন্ধ্যা? আর আমিও তো বার্ধক্যের চূড়ান্ত পৌঁছেছি। তিনি বললেন, তোমার নিদর্শন হলো তুমি সুস্থ অবস্থায় তিন দিন কারো সঙ্গে কথাবার্তা বলবে না।অতঃপর তিনি মিহরাব হতে বের হয়ে তাঁর কওমের নিকট আসলেন, আর ইঙ্গিতে তাদেরকে সকাল-সন্ধ্যায় আল্লাহর তাসবীহ পড়তে বললেন। فَأَوْحَى অর্থ, অতঃপর তিনি ইশারা করে বললেন। (আল্লাহ বললেন,) হে ইয়াহইয়া! এ কিতাব শক্তভাবে ধারণ কর। যে দিন তিনি জীবিত পুনরুত্থিত হবেন-(মারইয়াম ২-১৫)। حَفِيًّا لَطِيفًا অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। অর্থাৎ অতিশয় অনুগ্রহশীল। عَاقِرًا (বন্ধ্যা) শব্দটি পুং ও স্ত্রী উভয় লিঙ্গেই ব্যবহৃত হয়।"
সহীহ বুখারী : ৩৪৩০
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৩৪৩০
حَدَّثَنَا هُدْبَةُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا هَمَّامُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا قَتَادَةُ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ مَالِكِ بْنِ صَعْصَعَةَ، أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ ﷺ حَدَّثَهُمْ عَنْ لَيْلَةَ أُسْرِيَ " ثُمَّ صَعِدَ حَتَّى أَتَى السَّمَاءَ الثَّانِيَةَ فَاسْتَفْتَحَ، قِيلَ مَنْ هَذَا قَالَ جِبْرِيلُ. قِيلَ وَمَنْ مَعَكَ قَالَ مُحَمَّدٌ. قِيلَ وَقَدْ أُرْسِلَ إِلَيْهِ قَالَ نَعَمْ. فَلَمَّا خَلَصْتُ، فَإِذَا يَحْيَى وَعِيسَى وَهُمَا ابْنَا خَالَةٍ. قَالَ هَذَا يَحْيَى وَعِيسَى فَسَلِّمْ عَلَيْهِمَا. فَسَلَّمْتُ فَرَدَّا ثُمَّ قَالاَ مَرْحَبًا بِالأَخِ الصَّالِحِ وَالنَّبِيِّ الصَّالِحِ
মালিক ইব্নু সা‘সা‘আ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) সাহাবাগণের নিকট মিরাজের রাত্রির বর্ণনায় বলেছেন, তারপর তিনি আমাকে নিয়ে উপরে চললেন, এমনকি দ্বিতীয় আকাশে এসে পৌঁছলেন এবং দরজা খুলতে বললেন, জিজ্ঞেস করা হল কে? বললেন, আমি জিব্রাঈল। প্রশ্ন হলো। আপনার সঙ্গে কে? তিনি বললেন, মুহাম্মাদ (ﷺ)। জিজ্ঞেস করা হলো। তাঁকে কি ডেকে পাঠানো হয়েছে? উত্তর দিলেন হাঁ, অতঃপর আমরা যখন সেখানে পৌঁছলাম তখন সেখানে ইয়াহিয়া ও ‘ঈসা (আঃ)-কে দেখলাম। তাঁরা উভয়ে খালাতো ভাই ছিলেন। জিব্রাঈল বললেন, এঁরা হলেন, ইয়াহিয়া এবং ‘ঈসা (আঃ)। তাঁদেরকে সালাম করুন, তখন আমি সালাম দিলাম। তাঁরাও সালামের জবাব দিলেন। অতঃপর তাঁরা বললেন, নেক ভাই এবং নেক নবীর প্রতি মারহাবা।
