৬০/৪৮. অধ্যায়ঃ
মহান আল্লাহর বাণীঃ আর এ কিতাবে বর্ণনা করুন মারিয়ামের কথা, যখন সে নিজ পরিবারের লোকদের থেকে পৃথক হলো। (মারিয়াম ১৬)
﴿نَبَذْنَاهُ﴾ أَلْقَيْنَاهُ اعْتَزَلَتْ شَرْقِيًّا مِمَّا يَلِي الشَّرْقَ ﴿فَأَجَاءَهَا﴾ أَلْجَأَهَا اضْطَرَّهَا ﴿تَسَاقَطْ﴾ تَسْقُطْ ﴿قَصِيًّا﴾ قَاصِيًا فَرِيًّا عَظِيمًا قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ ﴿نِسْيًا﴾ لَمْ أَكُنْ شَيْئًا وَقَالَ غَيْرُهُ النِّسْيُ الْحَقِيرُ وَقَالَ أَبُو وَائِلٍ عَلِمَتْ مَرْيَمُ أَنَّ التَّقِيَّ ذُو نُهْيَةٍ حِينَ قَالَتْ ﴿إِنْ كُنْتَ تَقِيًّا﴾ (مريم: ١٨) قَالَ وَكِيعٌ عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنِ الْبَرَاءِ ﴿سَرِيًّا﴾ نَهْرٌ صَغِيرٌ بِالسُّرْيَانِيَّةِ﴿نَبَذْنَاهُ﴾ শব্দটি الشَّرْقِ শব্দ থেকে, যার অর্থ পূর্বদিকে। ﴿فَأَجَاءَهَا﴾ শব্দটি جِئْتُ হতে এর রূপে হয়েছে। أَلْجَأَهَا এর স্থলে لَجَأَ ও বলা হয়েছে যার অর্থ হবে তাকে অধীর করে তুললো। تَسَاقَطْ শব্দটি تَسْقُطْ এর অর্থ দেবে। قَصِيًّا শব্দটি قَاصِيًا এর অর্থে ব্যবহৃত। فَرِيًّا অর্থ বিশাল। ইবন ‘আব্বাস (রা.) বলেছেন, نِسْيًا অর্থ আমার অস্তিত্ব না থাকে। অন্যেরা বলেছেন, النِّسْيُ অর্থ তুচ্ছ, ঘৃণিত। আবূ ওয়াইল (রহ.) বলেছেন, মারিয়ামের উক্তি إِنْ كُنْتَ تَقِيًّا এর অর্থ যদি তুমি জ্ঞানী হও। ওকী (রহ.)....বলেন, বারা (রা.) হতে বর্ণিত। سَرِيًّا শব্দটির অর্থ সিরীয় ভাষায় ছোট নদী।"
সহিহ বুখারী : ৩৪৪৬
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৩৪৪৬
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُقَاتِلٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا صَالِحُ بْنُ حَىٍّ، أَنَّ رَجُلاً، مِنْ أَهْلِ خُرَاسَانَ قَالَ لِلشَّعْبِيِّ. فَقَالَ الشَّعْبِيُّ أَخْبَرَنِي أَبُو بُرْدَةَ عَنْ أَبِي مُوسَى الأَشْعَرِيِّ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا أَدَّبَ الرَّجُلُ أَمَتَهُ فَأَحْسَنَ تَأْدِيبَهَا، وَعَلَّمَهَا فَأَحْسَنَ تَعْلِيمَهَا ثُمَّ أَعْتَقَهَا فَتَزَوَّجَهَا، كَانَ لَهُ أَجْرَانِ، وَإِذَا آمَنَ بِعِيسَى ثُمَّ آمَنَ بِي، فَلَهُ أَجْرَانِ، وَالْعَبْدُ إِذَا اتَّقَى رَبَّهُ وَأَطَاعَ مَوَالِيَهُ، فَلَهُ أَجْرَانِ ".
আবূ মূসা আল-আশ’আরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আল্লাহর রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “যদি কোন লোক তার দাসীকে শিষ্টাচার শিখায় এবং তা উত্তমভাবে শিখায় এবং তাকে দ্বীন শিখায় আর তা উত্তমভাবে শিখায় অতঃপর তাকে মুক্ত করে দেয়, অতঃপর তাকে বিয়ে করে তবে সে দুইটি করে সওয়াব পাবে। আর যদি কেউ ঈসা (আঃ)-এর উপর ঈমান আনে অতঃপর আমার প্রতিও ঈমান আনে, তার জন্যও দুইটি করে সওয়াব রয়েছে। আর গোলাম যদি তার রবকে ভয় করে এবং তার মনিবদের মান্য করে তার জন্যেও দুইটি করে সওয়াব রয়েছে।”
