৭/৭. অধ্যায়ঃ
অপবিত্র ব্যক্তির রোগ বেড়ে যাওয়ার, মৃত্যুর বা তৃষ্ণার্ত থেকে যাবার আশঙ্কাবোধ হলে তায়াম্মুম করা।
সহিহ বুখারী : ৩৪৬
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৩৪৬
حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، قَالَ سَمِعْتُ شَقِيقَ بْنَ سَلَمَةَ، قَالَ كُنْتُ عِنْدَ عَبْدِ اللَّهِ وَأَبِي مُوسَى فَقَالَ لَهُ أَبُو مُوسَى أَرَأَيْتَ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ إِذَا أَجْنَبَ فَلَمْ يَجِدْ، مَاءً كَيْفَ يَصْنَعُ فَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ لاَ يُصَلِّي حَتَّى يَجِدَ الْمَاءَ. فَقَالَ أَبُو مُوسَى فَكَيْفَ تَصْنَعُ بِقَوْلِ عَمَّارٍ حِينَ قَالَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " كَانَ يَكْفِيكَ " قَالَ أَلَمْ تَرَ عُمَرَ لَمْ يَقْنَعْ بِذَلِكَ. فَقَالَ أَبُو مُوسَى فَدَعْنَا مِنْ قَوْلِ عَمَّارٍ، كَيْفَ تَصْنَعُ بِهَذِهِ الآيَةِ فَمَا دَرَى عَبْدُ اللَّهِ مَا يَقُولُ فَقَالَ إِنَّا لَوْ رَخَّصْنَا لَهُمْ فِي هَذَا لأَوْشَكَ إِذَا بَرَدَ عَلَى أَحَدِهِمُ الْمَاءُ أَنْ يَدَعَهُ وَيَتَيَمَّمَ. فَقُلْتُ لِشَقِيقٍ فَإِنَّمَا كَرِهَ عَبْدُ اللَّهِ لِهَذَا قَالَ نَعَمْ.
শাক্বীক ইব্নু সালামা (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ ও আবু মূসা (রাঃ)-এর নিকট ছিলাম। আবু মূসা (রাঃ) তাঁকে বললেনঃ হে আবু আব্দুর রহমান! কেউ অপবিত্র হলে যদি পানি না পায় তবে কী করবে? তখন আবদুল্লাহ (রাঃ) বললেনঃ পানি না পাওয়া পর্যন্ত সালাত আদায় করবে না। আবু মূসা (রাঃ) বললেনঃ তা হলে আম্মার (রাঃ)-এর কথার উত্তরে আপনি কী বলবেন? তাঁকে যে নবী (ﷺ) বলেছিলেন (ত্বায়াম্মুম করে নেয়া) তোমার জন্য যথেষ্ট ছিল। আবদুল্লাহ (ইবন মাসউদ) (রাঃ) বললেনঃ তুমি দেখ না উমর (রাঃ) আম্মারের এই কথায় সন্তুষ্ট ছিলেন না?আবু মূসা (রাঃ) পুনরায় বললেন আম্মারের কথা বাদ দিলেও তায়াম্মুমের আয়াতের কী ব্যাখ্যা করবেন? আবদুল্লাহ (রাঃ) এর কোন উত্তর দিতে পারলেন না। তিনি তবুও বললেনঃ আমরা যদি লোকদের তার অনুমতি দিয়ে দেই তাহলে আশঙ্কা হয়, কারো নিকট পানি ঠান্ডা মনে হলেই তায়াম্মুম করবে। রাবী আ‘মাশ (রহঃ) বলেনঃ আমি শাকিক (রহঃ)-কে প্রশ্ন করলাম, “আবদুল্লাহ (রাঃ) এ কারণে কি তায়াম্মুম অপছন্দ করেছিলেন?” তিনি বললেনঃ হ্যাঁ।
