৬৮/২৪. অধ্যায়ঃ
সহীহ বুখারী হাদিস ৫২৯৬ - ফিতনার দিক সম্পর্কে ইশারা
ইশারার মাধ্যমে তালাক ও অন্যান্য কাজ।
وَقَالَ ابْنُ عُمَرَ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يُعَذِّبُ اللَّهُ بِدَمْعِ الْعَيْنِ وَلَكِنْ يُعَذِّبُ بِهَذَا فَأَشَارَ إِلَى لِسَانِهِ وَقَالَ كَعْبُ بْنُ مَالِكٍ أَشَارَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِلَيَّ أَيْ خُذِ النِّصْفَ وَقَالَتْ أَسْمَاءُ صَلَّى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْكُسُوفِ فَقُلْتُ لِعَائِشَةَ مَا شَأْنُ النَّاسِ وَهِيَ تُصَلِّي فَأَوْمَأَتْ بِرَأْسِهَا إِلَى الشَّمْسِ فَقُلْتُ آيَةٌ فَأَوْمَأَتْ بِرَأْسِهَا أَنْ نَعَمْ وَقَالَ أَنَسٌ أَوْمَأَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِيَدِهِ إِلَى أَبِي بَكْرٍ أَنْ يَتَقَدَّمَ وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ أَوْمَأَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِيَدِهِ لَا حَرَجَ وَقَالَ أَبُو قَتَادَةَ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الصَّيْدِ لِلْمُحْرِمِ أَحَدٌ مِنْكُمْ أَمَرَهُ أَنْ يَحْمِلَ عَلَيْهَا أَوْ أَشَارَ إِلَيْهَا قَالُوا لَا قَالَ فَكُلُوا.ইবন ‘উমার (রাঃ) বলেন, নবী (ﷺ) বলেছেন: আল্লাহ চোখের পানির জন্য শাস্তি দিবেন না; তবে শাস্তি দিবেন এটার জন্য এই বলে তিনি মুখের প্রতি ইশারা করলেন। কা‘ব ইবন মালিক (রাঃ) বলেন, নবী (ﷺ) আমার প্রতি ইশারা করে বললেন: অর্ধেক লও। আসমা (রাঃ) বলেন, নবী (ﷺ) সূর্যগ্রহণের সালাত আদায় করেন। ‘আয়িশা (রাঃ) সালাত আদায় করছিলেন। এ অবস্থায় আমি তাকে জিজ্ঞেস করলাম ব্যাপার কী? তিনি তাঁর মাথা দ্বারা সূর্যের দিকে ইশারা করলেন।আমি বললাম: কোনো নিদর্শন নাকি? তিনি মাথা নেড়ে বললেন: জি হাঁ। আনাস (রাঃ) বলেন: নবী (ﷺ) তাঁর হাত দ্বারা আবূ বকর (রাঃ)-এর প্রতি ইশারা করে সামনে যেতে বললেন। ইবন ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, নবী (ﷺ) হাত দ্বারা ইশারা করে বললেন: কোনো দোষ নেই। আবূ কাতাদা (রাঃ) নবী (ﷺ) মুহরিম-এর (ইহরামকারী) শিকার সম্বন্ধে বললেন, তোমাদের কেউ কি তাকে (মুহরিমকে) এ কাজে লিপ্ত হবার আদেশ করেছিল বা শিকারের প্রতি ইঙ্গিত করেছিল? লোকেরা বলল: না। তিনি বললেন, তবে খাও।"
ফিতনা এদিক থেকে আসবে: পূর্ব দিকে ইশারার হাদিস
সহীহ বুখারী : ৫২৯৬
সহীহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫২৯৬
قَبِيصَةُ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ دِينَارٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ ﷺيَقُوْلُ الْفِتْنَةُ مِنْ هَا هُنَا وَأَشَارَ إِلَى الْمَشْرِقِ.
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমি নবী (ﷺ)- কে বলতে শুনেছি, ফিত্না (বিপর্যয়) এদিক থেকে আসবে। তিনি পূর্ব দিকে ইশারা করলেন।
সহীহ বুখারী হাদিস ৫২৯৬-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবনু উমর (রাঃ) বলেন, তিনি নবী (صلى الله عليه وسلم)-কে বলতে শুনেছেন, ফিতনা এদিক থেকে আসবে। এরপর নবী (صلى الله عليه وسلم) পূর্ব দিকে ইশারা করেন। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, তাই ব্যাখ্যাতেও সতর্ক থাকা দরকার। এখানে ফিতনার ধরন, সময় বা বিস্তারিত ঘটনাপ্রবাহ বলা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে, ফিতনা এদিক থেকে আসবে এবং পূর্ব দিকের দিকে ইশারা করা হয়েছে। “ফিতনা পূর্ব দিক”, “ফিতনা হাদিস” এবং “পূর্ব দিকের ফিতনা” এই হাদিসের প্রধান সার্চ টার্ম হতে পারে। এই বর্ণনা আমাদের সতর্কতা শেখায়, কিন্তু নির্দিষ্ট ব্যক্তি বা জায়গা নিয়ে বাড়তি দাবি করা এই হাদিসের সরাসরি ভাষা থেকে করা যায় না। তাই মূল বার্তা হলো ফিতনা সম্পর্কে সতর্ক থাকা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী (صلى الله عليه وسلم) ফিতনা সম্পর্কে সতর্ক করেছেন।
- হাদিসে পূর্ব দিকে ইশারার কথা এসেছে।
- সংক্ষিপ্ত বর্ণনা থেকে অতিরিক্ত নির্দিষ্ট দাবি করা উচিত নয়।
- ফিতনা বিষয়ে সতর্কতা মুসলিমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
