৯২/১৬. অধ্যায়ঃ

নবী (ﷺ)-এর বাণী: ফিতনা পূর্ব দিক থেকে শুরু হবে।

সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৭০৯৪

عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللهِ حَدَّثَنَا أَزْهَرُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ ابْنِ عَوْنٍ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ ذَكَرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم اللهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي شَأْمِنَا اللهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي يَمَنِنَا قَالُوا يَا رَسُولَ اللهِ وَفِي نَجْدِنَا قَالَ اللهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي شَأْمِنَا اللهُمَّ بَارِكْ لَنَا فِي يَمَنِنَا قَالُوا يَا رَسُولَ اللهِ وَفِي نَجْدِنَا فَأَظُنُّهُ قَالَ فِي الثَّالِثَةِ هُنَاكَ الزَّلاَزِلُ وَالْفِتَنُ وَبِهَا يَطْلُعُ قَرْنُ الشَّيْطَانِ.

ইব্‌নু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবী (ﷺ) আলোচনা করছিলেন। এক পর্যায়ে তিনি বলেন: “হে আল্লাহ! আমাদের জন্য আমাদের সিরিয়ায় বরকত দাও। হে আল্লাহ! আমাদের জন্য আমাদের ইয়ামানে বরকত দাও।” লোকেরা বলল: “আমাদের নাজদেও (বরকত দিন)।” তিনি বললেন: “হে আল্লাহ! আমাদের জন্য আমাদের সিরিয়ায় বরকত দাও। হে আল্লাহ! আমাদের জন্য বরকত দাও আমাদের ইয়ামানে।” লোকেরা বলল: “হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের নাজদেও (বরকত দিন)।” বর্ণনাকারী বলেন: “আমার মনে হয়, তৃতীয়বারে তিনি বললেন: সেখানে তো কেবল ভূমিকম্প আর ফিতনা। আর তথা হতে শয়তানের শিং উদিত হবে।”

(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৯৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৬১৩)[১৫৮] "পূর্ব প্রান্ত হতে ফিতনা প্রকাশ পাবে" রসূল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর এই কথা বলার কারণ ছিল সেই সময় মাদীনার পূর্বাঞ্চলের অধিবাসীরা ছিল কাফির গোষ্ঠী। রসূল (সাঃ)-এর এই কথা হুবহু বাস্তবায়িত হয়েছিল। কারণ প্রথম ফিতনা আরম্ভ হয়েছিল পূর্ব প্রান্ত হতেই। আর ঐ ফিতনাই মুসলমানদের মাঝে বিভেদ সৃষ্টির অন্যতম কারণ ছিল। তেমনি ভাবে ঐ প্রান্ত হতেই বিদ’আত উৎপন্ন হয়ছিল। ইমাম খাওাবী বলেনঃ নাজ্‌দ হচ্ছে পূর্ব দিকে। মদীনাহয় অবস্থানকারী ব্যক্তির নিকট নাজদের অবস্থান হচ্ছে ইরাক ও তার আশপাশের মরু অঞ্চল। আর তা মদীনাবাসীর পূর্ব প্রান্ত। নাজদের মূল সংজ্ঞা হল, যমীন থেকে প্রত্যেক উঁচু জায়গাকে নাজ্‌দ বলে। অর্থাৎ উচ্চভূমি যা নিম্নভূমির বিপরীত। সম্পূর্ণ তিহামা অঞ্চল নিম্নভূমির অর্ন্তগত। আর মক্কা এই তিহামা অঞ্চলেই অবস্থিত। সুতরাং যারা বলে নাজদ ইরাকের দিকে তারা “নাজদ” নামক নিদ্দিষ্ট জায়গা ধারণা করেছেন। যেমন, দাউদী। কিন্তু তা আদৌ ঠিক নয়। বরং আরবী ভাষায় প্রত্যেক উচ্চভূমি যা নিম্নভূমির বিপরীত তাকেই নাজদ নামে অভিহিত করা হয়। আর নিম্নভূমিকে গাওর নামে অভিহিত করা হয়। (ফাতহুল বারী)

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন