৮১/৪৩. অধ্যায়ঃ
শিঙ্গায় ফুৎকার।
মুজাহিদ বলেছেন, শিঙ্গা হচ্ছে ডংকার আকৃতির, ‘যায়রাহ’ অর্থ চিৎকার, এবং ইবন ‘আব্বাস (রা.) বলেন, ‘নাকুর’ অর্থ শিঙ্গা, ‘রাযিফা’ প্রথম ফুৎকার, ‘নাদিফা’ দ্বিতীয় ফুৎকার।
সহিহ বুখারী : ৬৫১৭
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৬৫১৭
عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللهِ قَالَ حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمٰنِ وَعَبْدِ الرَّحْمٰنِ الأَعْرَجِ أَنَّهُمَا حَدَّثَاهُ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ قَالَ اسْتَبَّ رَجُلاَنِ رَجُلٌ مِنْ الْمُسْلِمِينَ وَرَجُلٌ مِنْ الْيَهُودِ فَقَالَ الْمُسْلِمُ وَالَّذِي اصْطَفَى مُحَمَّدًا عَلَى الْعَالَمِينَ فَقَالَ الْيَهُودِيُّ وَالَّذِي اصْطَفَى مُوسَى عَلَى الْعَالَمِينَ قَالَ فَغَضِبَ الْمُسْلِمُ عِنْدَ ذَلِكَ فَلَطَمَ وَجْهَ الْيَهُودِيِّ فَذَهَبَ الْيَهُودِيُّ إِلَى رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرَهُ بِمَا كَانَ مِنْ أَمْرِهِ وَأَمْرِ الْمُسْلِمِ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم لاَ تُخَيِّرُونِي عَلَى مُوسَى فَإِنَّ النَّاسَ يَصْعَقُونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَأَكُونُ فِي أَوَّلِ مَنْ يُفِيقُ فَإِذَا مُوسَى بَاطِشٌ بِجَانِبِ الْعَرْشِ فَلاَ أَدْرِي أَكَانَ مُوسَى فِيمَنْ صَعِقَ فَأَفَاقَ قَبْلِي أَوْ كَانَ مِمَّنْ اسْتَثْنَى اللهُ
আবু হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
দুই ব্যক্তি একে অন্যকে গালমন্দ করল। একজন মুসলিম, অন্যজন ইয়াহুদী। মুসলিম বলল, ঐ সত্তার শপথ, যিনি মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে জগৎবাসীর উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছেন। ইয়াহুদী বলল, ঐ সত্তার শপথ, যিনি মূসা (আঃ)-কে জগৎবাসীর উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন।রাবী বলেন, এতে মুসলিম রেগে গেল এবং ইয়াহুদীর মুখে একটি চড় মারল। তখন ইয়াহুদী রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে গিয়ে তার মাঝে এবং মুসলিমের মাঝে যা ঘটেছিল সে সম্পর্কে তাঁকে জানাল। তখন রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: তোমরা আমাকে মূসা (আঃ)-এর উপর প্রাধান্য দিও না। কারণ কেয়ামতের দিন সব মানুষ অচেতন হয়ে যাবে, আর আমিই হব সেই ব্যক্তি যে সর্বপ্রথম চেতনা ফিরে পাব। তখন দেখব মূসা (আঃ) আরশের কিনারা ধরে আছেন। আমি জানি না, মূসা (আঃ) কি সেই লোক যিনি অচেতন হওয়ার পর আমার আগেই চেতনা ফিরে পেয়েছেন, নাকি তিনি সেই লোকদের অন্তর্ভুক্ত যাদেরকে আল্লাহ অচেতন হওয়া থেকে রক্ষা করেছেন।
আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৬৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৭৩
