৮৩/২৫. অধ্যায়ঃ

যখন কেউ কোন খাদ্যকে হারাম করে নেয়।

এবং আল্লাহর বাণী: হে নবী! আল্লাহ যা তোমার জন্য হালাল করেছেন তা তুমি কেন হারাম করছ? (এর দ্বারা) তুমি তোমার স্ত্রীদের সন্তুষ্টি পেতে চাও, (আল্লাহ তোমার এ ত্রুটি ক্ষমা করে দিলেন কেননা) আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, বড়ই দয়াল। আল্লাহ তোমাদের জন্য নিজেদের কসমের বাধ্যবাধকতা থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন, আল্লাহ তোমাদের মালিক-মনিব-রক্ষক, আর তিনি সর্বজ্ঞাতা, মহা প্রজ্ঞার অধিকারী- (সূরা আত তাহরীম ৬৬/১-২)। এবং আল্লাহর বাণী: পবিত্র বস্তুরাজি যা আল্লাহ তোমাদের জন্য হালাল করে দিয়েছেন সেগুলোকে হারাম করে নিও না- (সূরা আল-মায়িদা ৫/৮৭)।

সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৬৬৯১

الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا الْحَجَّاجُ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ قَالَ زَعَمَ عَطَاءٌ أَنَّهُ سَمِعَ عُبَيْدَ بْنَ عُمَيْرٍ يَقُولُ سَمِعْتُ عَائِشَةَ تَزْعُمُ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَمْكُثُ عِنْدَ زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ وَيَشْرَبُ عِنْدَهَا عَسَلاً فَتَوَاصَيْتُ أَنَا وَحَفْصَةُ أَنَّ أَيَّتَنَا دَخَلَ عَلَيْهَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَلْتَقُلْ إِنِّي أَجِدُ مِنْكَ رِيحَ مَغَافِيرَ أَكَلْتَ مَغَافِيرَ فَدَخَلَ عَلَى إِحْدَاهُمَا فَقَالَتْ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ لاَ بَلْ شَرِبْتُ عَسَلاً عِنْدَ زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ وَلَنْ أَعُودَ لَهُ فَنَزَلَتْ {يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ لِمَ تُحَرِّمُ مَا أَحَلَّ اللهُ لَكَ} {إِنْ تَتُوبَا إِلَى اللهِ} لِعَائِشَةَ وَحَفْصَةَ {وَإِذْ أَسَرَّ النَّبِيُّ إِلَى بَعْضِ أَزْوَاجِهِ حَدِيثًا} لِقَوْلِهِ بَلْ شَرِبْتُ عَسَلاً و قَالَ لِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى عَنْ هِشَامٍ وَلَنْ أَعُودَ لَهُ وَقَدْ حَلَفْتُ فَلاَ تُخْبِرِي بِذَلِكِ أَحَدًا

আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

নবি (ﷺ) এক সময় যায়নাব বিনতে জাহশ (রাঃ)-এর কাছে অবস্থান করছিলেন এবং তাঁর কাছে মধু পান করেছিলেন। আয়িশা (রাঃ) বলেন, আমি এবং হাফসা (রাঃ) পরস্পরে পরামর্শ করলাম যে, নবি (ﷺ) আমাদের দুজনের মধ্যে যার কাছেই আগে আসবেন আমরা তাঁকে বলব, আপনার মুখ থেকে মাগাফীরের গন্ধ পাচ্ছি। আপনি কি মাগাফীর খেয়েছেন? এরপর তিনি কোন একজনের ঘরে প্রবেশ করলেন। তখন তিনি তাঁকে ঐ কথাটা বললেন। তখন নবি (ﷺ) জবাব দিলেন, না, আমি তো যায়নাব বিনতে জাহশের কাছে মধু পান করেছি। এরপরে আর কখনো এটা করব না। তখনই এ আয়াত অবতীর্ণ হলঃ يَا أَيُّهَا النَّبِيُّ لِمَ تُحَرِّمُ مَا أَحَلَّ اللهُ لَكَ إِنْ تَتُوبَا إِلَى اللهِ “তোমরা উভয়ে যদি আল্লাহর কাছে তাওবা কর” এখানে সম্বোধন আয়িশা ও হাফসা (রাঃ)-এর প্রতি। আর وَإِذْ أَسَرَّ النَّبِيُّ নবী যখন তাঁর কোন স্ত্রীর কাছে কথাকে গোপন করেন- এ আয়াতটি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কথা بَلْ شَرِبْتُ عَسَلاً বরং আমি মধু পান করেছি-এর সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। ইব্রাহীম ইবনু মুসা (রহঃ) হিশাম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, নবী (ﷺ) বলেছেনঃ আমি কসম করেছি কাজটি আমি আর কখনো করব না।’’ তুমি এ বিষয়টি কারো কাছে প্রকাশ করো না। [৭৮]

[৪৯১২] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬২২৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬২৩৪)[৭৮] আল্লাহ্‌ যা হালাল করেছেন, কাউকে সন্তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে তা হারাম করা যাবে না। আর আল্লাহ্‌ ব্যতিত অন্য কেউ এ ক্ষমতাও রাখে না।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন