৮৮/১. অধ্যায়ঃ
যে ব্যক্তি আল্লাহর সঙ্গে শিরক করে তার গুনাহ এবং দুনিয়া ও আখিরাতে তার শাস্তি। আল্লাহ বলেন: নিশ্চয়ই শিরক বিরাট জুলুম- (সূরা লুকমান ৩১/১৩)। তুমি আল্লাহর শরীক স্থির করলে তোমার কর্ম তো বিফল হবে এবং তুমি হবে ক্ষতিগ্রস্ত (সূরা আয-যুমার ৩৯/৬৫)।
সহিহ বুখারী : ৬৯২১
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৬৯২১
خَلاَّدُ بْنُ يَحْيَى حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مَنْصُورٍ وَالأَعْمَشِ عَنْ أَبِي وَائِلٍ عَنْ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ قَالَ رَجُلٌ يَا رَسُولَ اللهِ أَنُؤَاخَذُ بِمَا عَمِلْنَا فِي الْجَاهِلِيَّةِ قَالَ مَنْ أَحْسَنَ فِي الإِسْلاَمِ لَمْ يُؤَاخَذْ بِمَا عَمِلَ فِي الْجَاهِلِيَّةِ وَمَنْ أَسَاءَ فِي الإِسْلاَمِ أُخِذَ بِالأَوَّلِ وَالْآخِرِ
ইব্নু মাস্‘ঊদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
এক লোক বলল, হে আল্লাহর রসূল (ﷺ)! আমরা কি জাহিলী যুগের কাজকর্মের জন্য পাকড়াও হব? তিনি বললেনঃ যে লোক ইসলামী যুগে সৎ কাজ করবে সে জাহিলী যুগের কাজকর্মের জন্য পাকড়াও হবে না। আর যে ইসলাম কবুলের পর অসৎ কাজ করবে, সে প্রথম ও পরবর্তীর জন্য (উভয় সময়ের কৃতকর্মের জন্য) পাকড়াও হবে।
[মুসলিম ১/৫৩, হাঃ ১২০, আহমাদ ৩৬০৪, ৩৮৮৬] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৪১, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৫৩)[১২৩] কাফির ইসলাম গ্রহণ করলে তার ইসলামপূর্ব যাবতীয় গুনাহ ক্ষমা হয়ে যায়। ফলে সে ইসলামের উপর প্রতিষ্ঠিত থেকে সৎ আমল করা অবস্থায় যদি মৃত্যু বরণ করে তাহলে পূর্বের কোন কুফুরী আমলের জন্য তাকে পাকড়াও করা হবে না। পক্ষান্তরে যদি ইসলাম গ্রহণ করার পর আবারো পূর্ববর্তী কুফুরী আমল করে অথবা মুরতাদ হয়ে যায়, আর এমতাবস্থায় তার মৃত্যু ঘটে, তাহলে তার মুসলমান হওয়ার পূর্বের এবং মুসলমান হওয়ার পরের সকল কুফুরীর জন্য তাকে পাকড়াও করা হবে। অবস্থা এমন যে, সে যেন কখনও মুসলমান হয়নি। (ফাতহুল বারী)
