৯১/৩৫. অধ্যায়ঃ
স্বপ্নে নিরাপদ মনে করা ও ভীতি দূর হতে দেখা।
সহিহ বুখারী : ৭০২৯
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৭০২৯
فَقَصَصْتُهَا عَلَى حَفْصَةَ فَقَصَّتْهَا حَفْصَةُ عَلَى رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّ عَبْدَ اللهِ رَجُلٌ صَالِحٌ لَوْ كَانَ يُصَلِّي مِنْ اللَّيْلِ فَقَالَ نَافِعٌ فَلَمْ يَزَلْ بَعْدَ ذَلِكَ يُكْثِرُ الصَّلاَةَ.
ইব্নু ‘উমার হতে বর্ণিতঃ
এ ঘটনা (স্বপ্ন) আমি হাফসা (রাঃ)-এর নিকট বর্ণনা করলাম। আর হাফসা (রাঃ) তা রসুলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট বর্ণনা করলেন : তখন রসুলুল্লাহ (ﷺ) বললেনঃ ‘আবদুল্লাহ তো নেককার লোক। নাফি (রহঃ) বলেন, এরপর থেকে তিনি সর্বদা অধিক করে (নফল) সালাত আদায় করতেন।
(আধুনিক প্রকাশনী- ৬৫৪২ শেষাংশ, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৫৫৫)[১৫১] হাদীসের শিক্ষা :(১) নফল বা তাহাজ্জুদ নামাযের ফযীলত ।(২) নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর সাথে আব্দুল্লাহ্ ইবনু ওমরের শিষ্টাচারিতা ও তাঁকে ভয় করা-যার কারনে তিনি স্বীয় স্বপ্ন বর্ণনা করেননি ।(৩) স্বপ্ন বর্ণনা করার ক্ষেত্রে প্রতিনিধিত্বের বৈধতা ।(৪) মসজিদে রাত্রী যাপনের বৈধতা ।(৫) সুন্নাত পরিহার সম্পর্কে ভীতি প্রদর্শন ।(৬) কোন কোন স্বপ্নের ব্যাখ্যা প্রয়োজন হয় না । (ফাতহুল বারী)
