৯৬/৩. অধ্যায়ঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সুন্নাতের অনুসরণ।
وَقَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى : ﴿وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا﴾ قَالَ أَئِمَّةً نَقْتَدِي بِمَنْ قَبْلَنَا وَيَقْتَدِي بِنَا مَنْ بَعْدَنَا وَقَالَ ابْنُ عَوْنٍ ثَلَاثٌ أُحِبُّهُنَّ لِنَفْسِي وَلِإِخْوَانِي هَذِهِ السُّنَّةُ أَنْ يَتَعَلَّمُوهَا وَيَسْأَلُوا عَنْهَا وَالْقُرْآنُ أَنْ يَتَفَهَّمُوهُ وَيَسْأَلُوا عَنْهُ وَيَدَعُوا النَّاسَ إِلَّا مِنْ خَيْرٍআর আল্লাহর বাণী: “আমাদেরকে মুত্তাকীদের নেতা বানিয়ে দাও”– (সূরা আল-ফুরক্বান ২৫/৭৪)। একজন বর্ণনাকারী বলেছেন, এরূপ ইমাম যে আমরা আমাদের পূর্ববর্তীদের অনুসরণ করব, আর আমাদের পরবর্তীরা আমাদের অনুসরণ করবে। ইবনু আউন বলেন, তিনটি বিষয় আমি আমার নিজের জন্য ও আমার ভাইদের জন্য পছন্দ করি—এই সুন্নাহ, যা তারা শিখবে এবং জানার জন্য এ বিষয়ে প্রশ্ন করবে; কুরআন যা তারা ভালোভাবে বুঝতে চেষ্টা করবে এবং জানার জন্য এ বিষয়ে প্রশ্ন করবে; এবং মানুষকে একমাত্র কল্যাণের দিকে আহ্বান জানাবে।
সহিহ বুখারী : ৭২৮৭
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৭২৮৭
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ الْمُنْذِرِ، عَنْ أَسْمَاءَ ابْنَةِ أَبِي بَكْرٍ ـ رضى الله عنهما ـ أَنَّهَا قَالَتْ أَتَيْتُ عَائِشَةَ حِينَ خَسَفَتِ الشَّمْسُ، وَالنَّاسُ قِيَامٌ وَهْىَ قَائِمَةٌ تُصَلِّي فَقُلْتُ مَا لِلنَّاسِ فَأَشَارَتْ بِيَدِهَا نَحْوَ السَّمَاءِ فَقَالَتْ سُبْحَانَ اللَّهِ. فَقُلْتُ آيَةٌ. قَالَتْ بِرَأْسِهَا أَنْ نَعَمْ. فَلَمَّا انْصَرَفَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ ثُمَّ قَالَ " مَا مِنْ شَىْءٍ لَمْ أَرَهُ إِلاَّ وَقَدْ رَأَيْتُهُ فِي مَقَامِي، حَتَّى الْجَنَّةَ وَالنَّارَ، وَأُوحِيَ إِلَىَّ أَنَّكُمْ تُفْتَنُونَ فِي الْقُبُورِ قَرِيبًا مِنْ فِتْنَةِ الدَّجَّالِ، فَأَمَّا الْمُؤْمِنُ ـ أَوِ الْمُسْلِمُ لاَ أَدْرِي أَىَّ ذَلِكَ قَالَتْ أَسْمَاءُ ـ فَيَقُولُ مُحَمَّدٌ جَاءَنَا بِالْبَيِّنَاتِ فَأَجَبْنَا وَآمَنَّا. فَيُقَالُ نَمْ صَالِحًا عَلِمْنَا أَنَّكَ مُوقِنٌ. وَأَمَّا الْمُنَافِقُ ـ أَوِ الْمُرْتَابُ لاَ أَدْرِي أَىَّ ذَلِكَ قَالَتْ أَسْمَاءُ ـ فَيَقُولُ لاَ أَدْرِي سَمِعْتُ النَّاسَ يَقُولُونَ شَيْئًا فَقُلْتُهُ ".
আসমা বিন্ত আবূ বক্র (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একবার সূর্যগ্রহণের সময় আমি আয়েশা (রাঃ)-এর কাছে এলাম। লোকেরা তখন (সালাতে) দাঁড়িয়েছিল এবং তিনিও দাঁড়িয়ে সালাত পড়ছিলেন। আমি জিজ্ঞাসা করলাম, লোকদের কি হল? তিনি হাত দিয়ে আকাশের দিকে ইঙ্গিত করলেন এবং বললেন, সুবহানাল্লাহ! আমি বললাম, এটা কি কোনো নিদর্শন? তখন তিনি মাথা নেড়ে হ্যাঁ বললেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন সালাত পড়া শেষ করলেন, তখন তিনি আল্লাহর প্রশংসা করলেন ও ছানা পড়লেন। তারপর বললেন, “আমি যা দেখিনি তার সবকিছুই আজকের আমার এ জায়গায় দেখলাম। এমনকি জান্নাত ও জাহান্নামও দেখলাম। আর আমার কাছে ওহী করা হয়েছে যে, কবরে তোমাদের পরীক্ষা করা হবে, প্রায় দাজ্জালের পরীক্ষার মতই। তবে যারা মুমিন হবে, অথবা (বলেছিলেন) মুসলিম হবে।” বর্ণনাকারী বলেন, আসমা (রাঃ) ‘মুমিন’ বলেছিলেন, না ‘মুসলিম’ বলেছিলেন তা আমার স্মরণ নেই। তারা বলবে, “মুহাম্মাদ (ﷺ) আমাদের কাছে স্পষ্ট প্রমাণ নিয়ে এসেছিলেন, আমরা তাঁর ডাকে সাড়া দিয়েছি এবং ঈমান এনেছি।” তখন তাকে বলা হবে, “তুমি শান্তিতে ঘুমাও, আমরা জানি তুমি দৃঢ় বিশ্বাসী ছিলে।” আর যারা মুনাফিক হবে অথবা (বলেছিলেন) সন্দেহকারী হবে, বর্ণনাকারী বলেন, আসমা (রাঃ) ‘মুনাফিক’ বলেছিলেন না ‘সন্দেহকারী’ বলেছিলেন তা আমার মনে নেই- তারা বলবে, “আমি কিছুই জানি না, আমি মানুষকে কথা বলতে শুনেছি, আর তাই বলেছি।”
আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৭৭, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৭৮৯
