৯৭/৩১. অধ্যায়ঃ
আল্লাহর ইচ্ছা ও চাওয়া।
আল্লাহর বাণী: “তোমরা ইচ্ছা করবে না যদি না আল্লাহ ইচ্ছা করেন।” (সূরা আদ-দাহর ৭৬/৩০)। আল্লাহর বাণী: “তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা প্রদান করো।” (সূরা আল-ইমরান ৩/২৬)। কোনো বিষয় সম্পর্কে কখনো বোলো না যে, ‘ওটা আমি আগামীকাল করব’—‘আল্লাহ ইচ্ছে করলে’ বলা ছাড়া। (সূরা আল-কাহাফ ১৮/২৩-২৪)। আল্লাহর বাণী: “তুমি যাকে ভালোবাস তাকে সৎপথ দেখাতে পারবে না, বরং আল্লাহই যাকে চান সৎ পথে পরিচালিত করেন।” (সূরা আল-ক্বাসাস ২৮/৫৬)। সা‘ঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহ.) তাঁর পিতা মুসাইয়্যাব থেকে বলেন, উক্ত আয়াত আবূ ত্বালিব সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। আল্লাহর বাণী: “আল্লাহ তোমাদের জন্য যা সহজ তা চান এবং যা তোমাদের জন্য কষ্টকর তা চান না।” (সূরা আল-বাক্বারা ২/১৮৫)
সহিহ বুখারী : ৭৪৭২
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৭৪৭২
يَحْيَى بْنُ قَزَعَةَ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ وَالأَعْرَجِ ح و حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ حَدَّثَنِي أَخِي عَنْ سُلَيْمَانَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي عَتِيقٍ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ وَسَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّ أَبَا هُرَيْرَةَ قَالَ اسْتَبَّ رَجُلٌ مِنْ الْمُسْلِمِينَ وَرَجُلٌ مِنْ الْيَهُودِ فَقَالَ الْمُسْلِمُ وَالَّذِي اصْطَفَى مُحَمَّدًا عَلَى الْعَالَمِينَ فِي قَسَمٍ يُقْسِمُ بِهِ فَقَالَ الْيَهُودِيُّ وَالَّذِي اصْطَفَى مُوسَى عَلَى الْعَالَمِينَ فَرَفَعَ الْمُسْلِمُ يَدَهُ عِنْدَ ذَلِكَ فَلَطَمَ الْيَهُودِيَّ فَذَهَبَ الْيَهُودِيُّ إِلَى رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرَهُ بِالَّذِي كَانَ مِنْ أَمْرِهِ وَأَمْرِ الْمُسْلِمِ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لاَ تُخَيِّرُونِي عَلَى مُوسَى فَإِنَّ النَّاسَ يَصْعَقُونَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ فَأَكُونُ أَوَّلَ مَنْ يُفِيقُ فَإِذَا مُوسَى بَاطِشٌ بِجَانِبِ الْعَرْشِ فَلاَ أَدْرِي أَكَانَ فِيمَنْ صَعِقَ فَأَفَاقَ قَبْلِي أَوْ كَانَ مِمَّنْ اسْتَثْنَى اللهُ
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একবার একজন মুসলিম ও একজন ইহুদি পরস্পর গালাগালি করল। মুসলিম লোকটি বলল, সে মহান সত্তার কসম! যিনি জগতসমূহের ওপর মুহাম্মাদ (ﷺ)-কে মনোনীত করেছেন। এরপর ইহুদিটিও বলল, সে মহান সত্তার কসম! যিনি জগতসমূহের ওপর মূসা (আঃ)-কে মনোনীত করেছেন। এরপরই মুসলিম লোকটি হাত উঠিয়ে ইহুদিকে চড় মারল। তখন ইহুদি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর কাছে গেল এবং তার ও মুসলিম লোকটির মধ্যে যা ঘটেছে তা জানাল।তারপর রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বললেন: তোমরা আমাকে মূসার উপর প্রাধান্য দিও না। কেননা, সব মানুষ (শিঙায় ফুঁ দিলে) অজ্ঞান হয়ে যাবে। তখন সর্বপ্রথম আমি জ্ঞান ফিরে পাব। পেয়েই দেখব, মূসা (আঃ) আরশের একপাশ ধরে আছেন। অতএব আমি জানি না, তিনি কি অজ্ঞান হয়ে আমার আগেই জ্ঞান ফিরে পেয়েছেন, নাকি তিনি তাঁদের অন্তর্ভুক্ত, যাদেরকে আল্লাহ অজ্ঞান হওয়া থেকে মুক্ত রেখেছেন।
আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৫৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৬৪
