১৫/৩১. অধ্যায়ঃ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৭৭৭ - হজ্জকে উমরাহতে রূপান্তর
হজ্জের মাসগুলোতে উমরাহ করা।
হজ্জের ইহরাম থেকে উমরাহ: হাদী না থাকলে নির্দেশ
আল-লু'লু ওয়াল মারজান : ৭৭৭
আল-লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৭৭৭
حديث ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ: قَدِمَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَأَصْحَابُهُ لِصُبْحِ رَابِعَةٍ يُلَبُّونَ بِالْحَجِّ، فَأَمَرَهُمْ أَنْ يَجْعَلُوهَا عُمْرَةً، إِلاَّ مَنْ مَعَهُ الْهَدْيُ
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) এবং তাঁর সাহাবীগণ (যুল হিজ্জার) ৪র্থ তারিখ সকালে (মাক্কায়) আগমন করেন এবং তাঁরা হাজ্জের জন্য তালবীয়া পাঠ করতে থাকেন। অতঃপর তিনি তাঁদের হাজ্জকে ‘উমরায় রূপান্তরিত করার নির্দেশ দিলেন। তবে যাঁদের সঙ্গে হাদী (হাজীদের যবহের জন্যে জানোয়ার) ছিল তাঁরা এ নির্দেশের অন্তর্ভুক্ত নন।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ১৮ : সালাত কসর করা, অধ্যায় ৩, হাঃ ১০৮৫; মুসলিম, পর্ব ১৫ : হাজ্জ, অধ্যায় ৩১, হাঃ ১২৪০
অনুবাদের উৎস
- সংকলক:
- ইমাম বুখারি (রহঃ) ও ইমাম মুসলিম (রহঃ)
- প্রকাশক:
- তাওহীদ পাবলিকেশন্স
আল-লু'লু ওয়াল মারজান হাদিস ৭৭৭-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসের মূল বিষয় হজ্জের ইহরামকে উমরাহতে রূপান্তর করা। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বলেন, নবী (صلى الله عليه وسلم) ও তাঁর সাহাবীগণ যুলহিজ্জার চতুর্থ তারিখ সকালে মাক্কায় আসেন। তারা তখন হজ্জের জন্য তালবিয়া পাঠ করছিলেন। এরপর নবী (صلى الله عليه وسلم) তাঁদের নির্দেশ দেন যেন তারা এটিকে উমরাহ বানিয়ে নেয়। তবে যাদের সঙ্গে হাদী ছিল, তারা এ নির্দেশের বাইরে ছিল। হাদিসটি খুব সংক্ষিপ্ত, কিন্তু আগের দীর্ঘ বর্ণনাগুলোর মূল নিয়ম পরিষ্কার করে—হাদী না থাকলে ইহরাম খুলে উমরাহ সম্পন্ন করা, আর হাদী থাকলে ইহরামে থাকা। হজ্জে তামাত্তু বুঝতে এই হাদিস খুব গুরুত্বপূর্ণ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- নবী (صلى الله عليه وسلم) হজ্জের ইহরামকে উমরাহতে রূপান্তরের নির্দেশ দিয়েছেন।
- যাদের সঙ্গে হাদী ছিল, তারা এই নির্দেশের ব্যতিক্রম ছিল।
- তালবিয়া পাঠের পরও নবীর নির্দেশে আমলের ধরন বদলানো হয়েছে।
- হজ্জের বিধানে হাদী থাকা-না থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য।
