২৩/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৫৪৩-[৩০] - ব্যথায় শিঙ্গা লাগানোর শিক্ষা
চিকিৎসা ও মন্ত্র - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
ব্যথার চিকিৎসায় হিজামা করার শিক্ষা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪৫৪৩-[৩০]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪৫৪৩-[৩০]
وَعَنْ جَابِرٌ: أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ احْتَجَمَ عَلَى وَرِكِهِ مِنْ وَثْءٍ كَانَ بِهِ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একবার নবী (ﷺ)-এর নিতম্বে ব্যথা হওয়ায় তিনি সে স্থানে শিঙ্গা লাগিয়েছেন।
[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ৩৮৬৩, ইবনু মাজাহ ৩৪৮৫, ‘বায়হাক্বী’র কুবরা ২০০১৪।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৫৪৩-[৩০]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে জাবির রা. বর্ণনা করেছেন, নবী صلى الله عليه وسلم-এর নিতম্বে ব্যথা হয়েছিল এবং তিনি সেই স্থানে শিঙ্গা লাগিয়েছেন। এখানে হিজামা বা শিঙ্গা লাগানোর একটি নির্দিষ্ট ব্যবহার দেখা যায়। আগের কিছু বর্ণনায় মাথা, ঘাড় বা দু বাহুর মাঝখানের কথা এসেছে; আর এই বর্ণনায় ব্যথার স্থানে শিঙ্গা লাগানোর কথা বলা হয়েছে। তাই হাদিসটি ব্যথা ও শারীরিক কষ্টের ক্ষেত্রে চিকিৎসা গ্রহণের শিক্ষা দেয়। এটি কোনো অলসতা বা ভাগ্যের ওপর ছেড়ে দেওয়ার কথা বলে না; বরং উপকারী চিকিৎসা গ্রহণের নমুনা দেখায়। তবে এই হাদিস থেকে সব ব্যথার জন্য একই পদ্ধতি বাধ্যতামূলক বলা যাবে না। বর্ণনায় নির্দিষ্ট ঘটনা এসেছে—নবী صلى الله عليه وسلم ব্যথার কারণে ঐ স্থানে হিজামা করেছেন।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- শারীরিক ব্যথা হলে চিকিৎসা গ্রহণ করা সুন্নাহর সাথে মিল রাখে।
- নবী صلى الله عليه وسلم নিজের ব্যথার স্থানে শিঙ্গা লাগিয়েছিলেন।
- হিজামা নির্দিষ্ট অবস্থায় চিকিৎসার একটি উপায় হতে পারে।
- হাদিসের নির্দিষ্ট ঘটনাকে অতিরিক্ত সাধারণ করে বলা ঠিক নয়।
