২৩/০. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৫৫১-[৩৮] - হিজামা ও মালিশের দিন
চিকিৎসা ও মন্ত্র - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
শনিবার ও বুধবারে হিজামা নিয়ে সতর্কতা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪৫৫১-[৩৮]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪৫৫১-[৩৮]
وَعَنْهُ مُرْسَلًا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنِ احْتَجَمَ أَوِ اطَّلَى يَوْمَ السَّبْتِ أَوِ الْأَرْبِعَاءِ فَلَا يَلُومَنَّ إِلَّا نَفْسَهُ فِي الوَضَحِ». رَوَاهُ فِي شرح السّنة
ইমাম যুহরী (রহঃ) হতে মুরসাল হিসেবে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন : যদি কেউ শনিবারে কিংবা বুধবারে শিঙ্গা লাগায় অথবা শরীরের যে কোন অঙ্গে ঔষধ মালিশ করায় এবং তার দরুন শ্বেত-কুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত হয়, তবে যেন সে নিজেকেই দোষারোপ করে।
[১] য‘ঈফ : শারহুস্ সুন্নাহ্ ৩২৩৫, য‘ঈফাহ্ ১৬৭২। হাদীসটি য‘ঈফ হওয়ার কারণ, এর সনদে অপরিচিত ব্যক্তির মুরসাল করা হয়েছে। বিস্তারিত দেখুন- সিলসিলাতুয্ য‘ঈফাহ্ ১৬৭২ নং ৪/১৬৮ পৃঃ।
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৫৫১-[৩৮]-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনা ইমাম যুহরী রহ. থেকে মুরসাল হিসেবে এসেছে। এতে বলা হয়েছে, কেউ শনিবারে বা বুধবারে শিঙ্গা লাগালে অথবা শরীরের কোনো অঙ্গে ঔষধ মালিশ করালে এবং এর কারণে শ্বেতকুষ্ঠ রোগে আক্রান্ত হলে, সে যেন নিজেকেই দোষারোপ করে। এখানে হিজামা ছাড়াও শরীরে ঔষধ মালিশ করার কথাও এসেছে। তাই এই হাদিস 4550-এর কাছাকাছি হলেও এর ভাষায় একটি বাড়তি দিক আছে। ব্যাখ্যার সময় মনে রাখতে হবে, এটি মুরসাল বর্ণনা। তাই বিষয়টি সতর্কতার সাথে বলা উচিত। এই বর্ণনা চিকিৎসার সময়, শরীরের যত্ন এবং কিছু দিনের বিষয়ে সাবধানতা শেখায়। তবে এটিকে এমনভাবে বলা ঠিক নয় যে হাদিসের মান নিয়ে কোনো আলোচনা নেই। বর্ণনায় যেমন এসেছে, তেমনভাবে বলা নিরাপদ।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- এই মুরসাল বর্ণনায় শনিবার ও বুধবারে হিজামা নিয়ে সতর্কতা আছে।
- হাদিসে ঔষধ মালিশের কথাও এসেছে, শুধু শিঙ্গার কথা নয়।
- চিকিৎসার ক্ষেত্রে সময়ের বিষয়কে হাদিসে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
- মুরসাল বর্ণনা হলে ব্যাখ্যায় সতর্ক ভাষা ব্যবহার করা উচিত।
