২৫/৮. অধ্যায়ঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৭৮০-[৩১] - মুনাফিককে নেতা না বলার সতর্কতা
নাম রাখা - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মুনাফিককে নেতা বলা নয়: সম্মানের ভাষার সতর্কতা
মিশকাতুল মাসাবীহ : ৪৭৮০-[৩১]
মিশকাতুল মাসাবীহহাদিস নম্বর ৪৭৮০-[৩১]
وَعَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «لَا تَقُولُوا لِلْمُنَافِقِ سَيِّدٌ فَإِنَّهُ إِنْ يَكُ سَيِّدًا فَقَدْ أَسْخَطْتُمْ رَبَّكُمْ». رَوَاهُ أَبُو دَاوُد
হুযাইফাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন : তোমরা কোন মুনাফিককে নেতা বলবে না। কেননা সে যখনই তোমাদের নেতা হয় বা তোমরা তাকে নেতা বলবে, তখন তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে অসন্তুষ্ট করলে।
[১] সহীহ : আবূ দাঊদ ৪৯৭৭, সিলসিলাতুস্ সহীহাহ্ ৩৭০, সহীহ আল জামি‘উস সগীর ৭৪০৫, সহীহ আল আদাবুল মুফরাদ ৫৮৮, সহীহ আত্ তারগীব ওয়াত্ তারহীব ২৯২৩।
অনুবাদের উৎস
- প্রকাশক:
- হাদিস একাডেমী
মিশকাতুল মাসাবীহ হাদিস ৪৭৮০-[৩১]-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে নবী صلى الله عليه وسلم বলেছেন, তোমরা কোনো মুনাফিককে নেতা বলবে না। কারণ সে যদি তোমাদের নেতা হয় বা তোমরা তাকে নেতা বলো, তাহলে তোমরা তোমাদের প্রতিপালককে অসন্তুষ্ট করলে। এখানে শিক্ষা হলো, সম্মানের শব্দ কাকে বলা হচ্ছে তা খুব গুরুত্বপূর্ণ। নেতা, সাইয়্যিদ বা সম্মানসূচক ভাষা এমন ব্যক্তির জন্য ব্যবহার করা উচিত নয়, যার অবস্থা মুনাফিক হিসেবে পরিচিত। হাদিসটি আমাদের ভাষায় সতর্কতা শেখায়। কথায় সম্মান দেওয়া, পদ দেওয়া বা মর্যাদা প্রকাশ করা শুধু সামাজিক ভদ্রতা নয়; তা কখনো ঈমানি অবস্থানের সঙ্গেও জড়াতে পারে। তাই একজন মুসলিমের উচিত সত্য, চরিত্র ও দ্বীনের অবস্থান বিবেচনা করে সম্মানের ভাষা ব্যবহার করা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- মুনাফিককে সম্মানসূচক নেতা বলা থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে।
- সম্মানের ভাষা ব্যবহারে ঈমানি সতর্কতা দরকার।
- শব্দ কখনো মানুষের মর্যাদা প্রকাশ করে, তাই তা হালকা নয়।
- আল্লাহর অসন্তুষ্টির কারণ হতে পারে এমন ভাষা এড়িয়ে চলা উচিত।
