১৬/২৬. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮৮৩ - কিরান হজের বর্ণনায় সতর্কতা
বাধাপ্রাপ্ত হলে হালাল হওয়ার বৈধতা এং হাজ্জে ক্বিরান বৈধ হওয়ার বিবরণ
কিরান হজের বর্ণনায় শব্দের পার্থক্য
সহীহ মুসলিম : ২৮৮৩
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ২৮৮৩
حَدَّثَنَا أَبُو الرَّبِيعِ الزَّهْرَانِيُّ، وَأَبُو كَامِلٍ قَالاَ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، ح وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ، حَرْبٍ حَدَّثَنِي إِسْمَاعِيلُ، كِلاَهُمَا عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، . بِهَذِهِ الْقِصَّةِ . وَلَمْ يَذْكُرِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم إِلاَّ فِي أَوَّلِ الْحَدِيثِ حِينَ قِيلَ لَهُ يَصُدُّوكَ عَنِ الْبَيْتِ . قَالَ إِذًا أَفْعَلَ كَمَا فَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . وَلَمْ يَذْكُرْ فِي آخِرِ الْحَدِيثِ هَكَذَا فَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . كَمَا ذَكَرَهُ اللَّيْثُ .
ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ ঘটনা বর্ণনা করেন। তবে এ সূত্রে হাদীসের প্রথমাংশে তিনি নবী (ﷺ)-এর উল্লেখ করেছেন- যখন তাঁকে বলা হ’ল, আপনি বায়তুল্লাহ এ পৌঁছতে বাধাগ্রস্ত হবেন। তখন তিনি বললেন, তাহলে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যেরূপ করেছেন, আমিও তদ্রূপ করব। তিনি হাদীসের শেষে উল্লেখ করেননি যে, “রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এরূপ করেছেন”-যেমন লায়স (রহঃ)-এর বর্ণনায় রয়েছে।
ই.ফা. ২৮৫৯, ই.সে. ২৮৫৮
সহীহ মুসলিম হাদিস ২৮৮৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে আগের ঘটনার মতো কিরান হজের ঘটনা এসেছে, তবে বর্ণনার ভাষাগত পার্থক্য স্পষ্ট করা হয়েছে। এখানে বলা হয়েছে, নবী (صلى الله عليه وسلم)-এর উল্লেখ শুরুতে এসেছে—যখন ইবনু উমর (রাঃ)-কে বলা হয়েছিল, আপনাকে বায়তুল্লাহতে পৌঁছতে বাধা দেওয়া হতে পারে। তখন তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) যেভাবে করেছেন, তিনিও সেভাবে করবেন। কিন্তু এই সূত্রে হাদিসের শেষে বলা হয়নি যে, রসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم) এমন করেছেন—যেমন লায়স (রহঃ)-এর বর্ণনায় এসেছে। এই হাদিসের মূল শিক্ষা হলো, হাদিস বর্ণনায় শব্দ ও সূত্রের পার্থক্য খুব যত্নের সঙ্গে সংরক্ষণ করা হয়েছে। হজ ও উমরার বিধান বুঝতে শুধু সারাংশ নয়, বর্ণনার সীমাও মানতে হয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- হাদিসের সূত্রভেদে শব্দের পার্থক্য থাকতে পারে।
- বর্ণনায় যা আছে, তা-ই বলা নিরাপদ।
- কিরান হজের আলোচনায় বর্ণনার ভাষা গুরুত্ব পায়।
- হাদিস সংরক্ষণে রাবিদের সতর্কতা দেখা যায়।
