১৬/৬৭. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩১১৪ - ইফাজার পর হায়েজের বিধান
বিদায়ী ত্বওয়াফ বাধ্যতামূলক কিন্তু ঋতুবতী মহিলার ক্ষেত্রে তা পরিত্যাজ্য
ইফাজা তাওয়াফের পর হায়েজ হলে ছাড়
সহীহ মুসলিম : ৩১১৪
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৩১১৪
حَدَّثَنِي أَبُو الطَّاهِرِ، وَحَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، وَأَحْمَدُ بْنُ عِيسَى، قَالَ أَحْمَدُ حَدَّثَنَا وَقَالَ، الآخَرَانِ أَخْبَرَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، بِهَذَا الإِسْنَادِ قَالَتْ طَمِثَتْ صَفِيَّةُ بِنْتُ حُيَىٍّ زَوْجُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ بَعْدَ مَا أَفَاضَتْ طَاهِرًا بِمِثْلِ حَدِيثِ اللَّيْثِ .
ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
‘আয়িশা (রাঃ) বলেন, নবী (ﷺ)-এর স্ত্রী সফিয়্যাহ্ বিনতু হুয়াই বিদায় হজ্জকালে পবিত্র অবস্থায় তাওয়াফে ইফযাহ্ করার পর হায়যগ্রস্ত হন।...অবশিষ্ট বর্ণনা পূর্বোক্ত লায়সের হাদীসের অনুরূপ।
ই.ফা. ৩০৮৯, ই.সে. ৩০৮৬
সহীহ মুসলিম হাদিস ৩১১৪-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনাটি সফিয়া বিনত হুয়াই (রাঃ)-এর একই ঘটনার আরেকটি সূত্র। এখানে বিশেষভাবে বলা হয়েছে, তিনি বিদায় হজ্জে পবিত্র অবস্থায় তাওয়াফে ইফাজা করার পর হায়েজগ্রস্ত হন। এরপর বাকি অংশ আগের বর্ণনার মতো। এই ছোট পার্থক্যটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এতে পরিষ্কার হয় যে তাওয়াফে ইফাজা হায়েজের আগে সম্পন্ন হয়েছিল। তাই রওনা হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। এই হাদিসে অতিরিক্ত কোনো নতুন বিধান আনা হয়নি; বরং আগের শিক্ষাকেই শক্ত করে। হজ্জে নারীদের মাসআলা বুঝতে গেলে তাওয়াফে ইফাজা, হায়েজ এবং বিদায়ী তাওয়াফের পার্থক্য জানা দরকার। এই হাদিসের মূল কথা হলো—যদি প্রধান তাওয়াফ সম্পন্ন হয়ে থাকে, তাহলে হায়েজের কারণে সফর আটকানোর প্রয়োজন থাকেনি।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- তাওয়াফে ইফাজা পবিত্র অবস্থায় সম্পন্ন হওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে।
- একই ঘটনা একাধিক সূত্রে এলে বিষয়টি ভালোভাবে বোঝা যায়।
- হায়েজের কারণে সফর আটকে যাবে কি না, তা কাজ সম্পন্ন হওয়ার ওপর নির্ভর করেছে।
- হজ্জের মাসআলায় বিস্তারিত জানা জরুরি।
