৩/২৯. অধ্যায়ঃ
সহীহ মুসলিম হাদিস ৭১১ - মুসলিম নাপাক হয় না
মুসলিম অপবিত্র (নাপাক) হয় না
মুসলিম নাপাক হয় না: জানাবাতের সঠিক বুঝ
সহীহ মুসলিম : ৭১১
সহীহ মুসলিমহাদিস নম্বর ৭১১
وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَأَبُو كُرَيْبٍ قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ مِسْعَرٍ، عَنْ وَاصِلٍ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ حُذَيْفَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ﷺ لَقِيَهُ وَهُوَ جُنُبٌ فَحَادَ عَنْهُ فَاغْتَسَلَ ثُمَّ جَاءَ فَقَالَ كُنْتُ جُنُبًا . قَالَ " إِنَّ الْمُسْلِمَ لاَ يَنْجُسُ» .
হুযাইফাহ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদিন অপবিত্র থাকা অবস্থায় রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-এর সাথে তাঁর সাক্ষাৎ হয়, ফলে তিনি রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ)-কে পাশ কাটিয়ে চলে গেলেন এবং গোসল করে পরে এলেন এবং বললেন, আমি জানাবাত (গোসল ফরজ হওয়ার কারণে নাপাক) অবস্থায় ছিলাম। রাসূলুল্লাহ্ (ﷺ) বললেন, মুসলিম তো নাপাক হয় না।
ই.ফা. ৭০৯, ই.সে. ৭২৪
সহীহ মুসলিম হাদিস ৭১১-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে হুযাইফা (রাঃ)-এর ঘটনা এসেছে। তিনি জানাবাত অবস্থায় রাসূলুল্লাহ (صلى الله عليه وسلم)-এর সঙ্গে দেখা করেন। নিজের অবস্থার কারণে তিনি পাশ কাটিয়ে চলে যান, গোসল করেন, তারপর ফিরে এসে জানান যে তিনি জানাবাত অবস্থায় ছিলেন। তখন রাসূল (صلى الله عليه وسلم) বলেন, মুসলিম তো নাপাক হয় না। এই বর্ণনা আগের ঘটনার মতো একই মূল শিক্ষা দেয়। জানাবাত হলে গোসল ফরজ হয়, কিন্তু সেই অবস্থায় একজন মুসলিমকে নাপাক সত্তা হিসেবে দেখা ঠিক নয়। ইসলাম পবিত্রতার বিধান শেখায়, আবার মানুষের সম্মানও রক্ষা করে। তাই এই হাদিস জানাবাত, গোসল এবং মুসলিমের মর্যাদা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- জানাবাত শরীরের একটি অবস্থা, মুসলিমের সম্মান নষ্ট করে না।
- পবিত্রতার প্রয়োজন মানে ব্যক্তিকে নাপাক বলা নয়।
- রাসূল صلى الله عليه وسلم সহজ কথায় ভুল ধারণা সংশোধন করেছেন।
- দীন শেখার ক্ষেত্রে লজ্জা ও সম্মানের ভারসাম্য রাখা দরকার।
