২২/৬. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২১১০ - রমজানে উমরার ফজিলত
রমাযান মাসকে শুধু রমাযান বলার অনুমতি প্রসঙ্গ
রমজানে উমরা: একটি হজ্জের সমান ফজিলত
সুনানে আন-নাসায়ী : ২১১০
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২১১০
أَخْبَرَنَا عِمْرَانُ بْنُ يَزِيدَ بْنِ خَالِدٍ، قَالَ: حَدَّثَنَا شُعَيْبٌ، قَالَ: أَخْبَرَنِي ابْنُ جُرَيْجٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي عَطَاءٌ، قَالَ: سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ يُخْبِرُنَا قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِامْرَأَةٍ مِنَ الْأَنْصَارِ: «إِذَا كَانَ رَمَضَانُ فَاعْتَمِرِي فِيهِ، فَإِنَّ عُمْرَةً فِيهِ تَعْدِلُ حَجَّةً»
ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) একজন আনসারী মহিলাকে বলেছিলেন, যখন রমজান এসে যাবে তখন তুমি একটি 'উমরাহ্ আদায় করবে। কেননা রমজানের একটি 'উমরাহ্ একটি হজ্জের সমান।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২১১০-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিসে ইবন আব্বাস (রাঃ) বর্ণনা করেন যে রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم একজন আনসারী মহিলাকে রমজান এলে উমরা করতে বলেছেন। কারণ রমজানের একটি উমরা একটি হজ্জের সমান। হাদিসের মূল বিষয় হলো রমজানে উমরা করার বিশেষ ফজিলত। এখানে উমরাকে হজ্জের বদলি বলা হয়নি, আর কারও ফরজ হজ্জের দায় শেষ হয়ে যায়—এমন কথাও পাঠ্যে নেই। তাই ব্যাখ্যায় শুধু এতটুকুই বলা নিরাপদ যে সওয়াব ও মর্যাদার দিক থেকে রমজানের উমরাকে একটি হজ্জের সমান বলা হয়েছে। যাদের উমরা করার সুযোগ ও সামর্থ্য আছে, তারা এই ফজিলতকে গুরুত্ব দিতে পারেন। তবে হাদিসের বাইরে গিয়ে ভ্রমণ, খরচ বা বিধানের বিস্তারিত দাবি করা উচিত নয়। এই বর্ণনা রমজানের সময়কে মূল্যবান মনে করতে এবং সুযোগ থাকলে উমরা আদায়ে উৎসাহ দেয়।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমজানে উমরা করার বিশেষ ফজিলত রয়েছে।
- হাদিসে রমজানের একটি উমরাকে একটি হজ্জের সমান বলা হয়েছে।
- এ সমতা থেকে ফরজ হজ্জের দায় শেষ হওয়ার দাবি করা যাবে না।
- সুযোগ ও সামর্থ্য থাকলে রমজানে উমরার পরিকল্পনা করা যেতে পারে।
