২২/৩৯. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২২০৩ - ঈমানের সঙ্গে রমজানের রোজায় গুনাহ মাফ
যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সাওয়াবের আশায় রমাযান মাসে রাতের সলাত আদায় করে এবং সওম পালন করে তার সাওয়াব - এ বিষয়ে যুহরী (রহিমাহুল্লাহ) থেকে রিওয়ায়াত বর্ণনায় ইখতিলাফ
রমজানের রোজার ফজিলত: ঈমান ও সওয়াবের আশায় ক্ষমা
সুনানে আন-নাসায়ী : ২২০৩
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২২০৩
أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ: حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ صَامَ رَمَضَانَ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ»
আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নাবী (ﷺ) বলেছেন: যে ব্যক্তি ঈমানের সাথে সওয়াবের আশায় রমাযান মাসের সাওম পালন করবে, তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ ক্ষমা করে দেয়া হবে।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২২০৩-এর সারসংক্ষেপ
এই হাদিস রমজানের রোজার ফজিলত খুব সংক্ষিপ্ত অথচ শক্তিশালীভাবে তুলে ধরে। নবী (صلى الله عليه وسلم) বলেছেন, যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে এবং সওয়াবের আশায় রমজানের সিয়াম পালন করবে, তার আগের গুনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে। এখানে রোজার বাহ্যিক নিয়মের পাশাপাশি নিয়ত ও বিশ্বাসের গুরুত্ব বোঝা যায়। একজন মানুষ আল্লাহর নির্দেশ সত্য বলে মেনে রোজা রাখবে এবং কষ্টের প্রতিদান তাঁর কাছেই চাইবে। লোকের প্রশংসা, সামাজিক রীতি বা শুধু অভ্যাস যেন মূল উদ্দেশ্য না হয়। হাদিসটি রোজাদারকে হতাশ না হয়ে আল্লাহর ক্ষমার আশা করতে শেখায়। একই সঙ্গে এটি মনে করায় যে, রমজানের প্রতিটি দিন সচেতনভাবে পালন করা দরকার। সিয়ামকে শুধু খাবার-পানীয় থেকে বিরতি নয়, বিশ্বাসভিত্তিক ইবাদত হিসেবে গ্রহণ করাই এই বাণীর কেন্দ্রীয় শিক্ষা।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- রমজানের সিয়াম ঈমানের ভিত্তিতে পালন করতে হবে।
- রোজার প্রতিদান আল্লাহর কাছে আশা করা উচিত।
- আন্তরিক রোজা আগের গুনাহ ক্ষমার কারণ হতে পারে।
- রোজাকে সামাজিক অভ্যাস নয়, ইবাদত হিসেবে দেখা দরকার।
