২২/৫৯. অধ্যায়ঃ

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৩১১ - নবীজির সফরে দুই ধরনের আমল

এ প্রসঙ্গে আবূ নাযরাহ্ আল মুনযির ইবনু মালিক ইবনু কুতা‘আহ্ হতে বর্ণিত হাদীসে পার্থক্যের উল্লেখ

নবী صلى الله عليه وسلم-এর সফরে কেউ রোজাদার, কেউ রোজা ভঙ্গকারী

সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৩১১

أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ: حَدَّثَنَا الْقَوَارِيرِيُّ، قَالَ: حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ مَنْصُورٍ، عَنْ عَاصِمٍ الْأَحْوَلِ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ: «سَافَرْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَصَامَ بَعْضُنَا وَأَفْطَرَ بَعْضُنَا»

জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমরা রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে একবার সফর করছিলাম আমাদের কয়েকজন সাওম পালন করছিলেন আর কয়েকজন সাওম ভঙ্গ করেছিলেন।

সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৩১১-এর সারসংক্ষেপ

জাবির (রাঃ) বলেন, তাঁরা রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর সঙ্গে সফর করেছিলেন। সেই সফরে তাঁদের কিছু মানুষ সাওম পালন করেছেন এবং কিছু মানুষ সাওম ভেঙেছেন। এই বর্ণনার মূল তথ্য এতটুকুই। তাই ব্যাখ্যার সময় এমন কোনো কথা যোগ করা ঠিক নয়, যা এই হাদিসে সরাসরি নেই। এখানে কাউকে ভর্ৎসনা করা হয়েছিল কি না, কার সিদ্ধান্ত বেশি ভালো ছিল, অথবা কার কী কারণ ছিল—এসব বলা হয়নি। তবে স্পষ্টভাবে বোঝা যায়, নবী صلى الله عليه وسلم-এর সফরে একই দলের মধ্যে সাওম পালন ও সাওম ভঙ্গ—দুই ধরনের কাজই ঘটেছে। সফরে রোজা রাখা না ভাঙার প্রশ্নে এই হাদিস একটি বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। এটি দেখায় যে সফরকালীন অবস্থায় সাহাবিদের আমল এক রকম ছিল না; কেউ রেখেছেন, কেউ ভেঙেছেন।

এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা

  • রাসূলুল্লাহ صلى الله عليه وسلم-এর সফরে কিছু সাহাবি সাওম পালন করেছেন।
  • একই সফরে কিছু সাহাবি সাওম ভেঙেছেন।
  • হাদিসে দুই ধরনের আমলের উপস্থিতি সরাসরি উল্লেখ হয়েছে।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন