২২/৬৮. অধ্যায়ঃ
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৩৩৬ - ফজরের আগে সাওমের নিয়ত
এ প্রসঙ্গে হাফসাহ্ (রাঃ);-এর হাদীস বর্ণনাকারীদের মধ্যে বর্ণনা পার্থক্যের উল্লেখ
ফজরের আগে সাওমের নিয়ত করার স্পষ্ট নির্দেশ
সুনানে আন-নাসায়ী : ২৩৩৬
সুনানে আন-নাসায়ীহাদিস নম্বর ২৩৩৬
أَخْبَرَنَا الرَّبِيعُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ: حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنْ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ: أَخْبَرَنِي حَمْزَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ: قَالَتْ حَفْصَةُ، زَوْجُ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «لَا صِيَامَ لِمَنْ لَمْ يُجْمِعْ قَبْلَ الْفَجْرِ»---[حكم الألباني] صحيح موقوف
হাফসাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
হামযাহ্ ইবনু 'আবদুল্লাহ ইবনু 'উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। হাফসাহ্ (রাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি ফজরের পূর্বেই সাওমের নিয়ত করে না তার সাওম পালন হবে না।
সুনানে আন-নাসায়ী হাদিস ২৩৩৬-এর সারসংক্ষেপ
এই বর্ণনায় হাফসা (রা.) থেকে বলা হয়েছে, ফজরের আগে সাওমের নিয়ত না করলে সাওম পালন হবে না। অনুবাদে বক্তব্যটি নবী صلى الله عليه وسلم-এর নামে এসেছে, আর শেষে বর্ণনার মান “সহিহ মাওকুফ” বলা হয়েছে। প্রদত্ত পাঠের মূল শিক্ষা হলো, সাওমের সিদ্ধান্ত ফজরের আগেই স্থির হতে হবে। “ফজরের আগে রোজার নিয়ত” এখানে প্রধান বিষয়। বর্ণনায় কোনো নির্দিষ্ট দোয়া বা মুখে বলার বাক্য উল্লেখ নেই। তাই হাদিসের সীমার মধ্যে থেকে নিয়তকে আগে থেকে রোজা রাখার দৃঢ় সিদ্ধান্ত হিসেবে বোঝা যায়। নফল সাওমের দিনের বেলার নিয়ত নিয়ে আগের ঘটনাগুলো এই সংক্ষিপ্ত বক্তব্যের সঙ্গে মিশিয়ে ফেলা উচিত নয়। কারণ এই বর্ণনা বিশেষভাবে ফজরের আগের সময় এবং আগে থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথাই তুলে ধরে।
এই হাদিস থেকে আমাদের শিক্ষা
- সাওমের নিয়ত ফজরের আগেই করার কথা এসেছে।
- বর্ণনার মূল জোর নিয়তের সময়ের ওপর।
- নিয়তের জন্য নির্দিষ্ট কোনো বাক্য উল্লেখ করা হয়নি।
- নফল সাওমের দিনের বেলার ঘটনা থেকে এটি আলাদা।
