৫৯/১২. অধ্যায়ঃ
জ্বিন, তাদের পুরস্কার এবং শাস্তির বিবরণ।
لِقَوْلِهِ ﴿يَا مَعْشَرَ الْجِنِّ وَالْإِنْسِ أَلَمْ يَأْتِكُمْ رُسُلٌ مِنْكُمْ يَقُصُّونَ عَلَيْكُمْ آيَتِي إِلَى قَوْلِهِ عَمَّا يَعْمَلُونَ﴾ (الأنعام : ١٣٠) بَخْسًا نَقْصًا قَالَ مُجَاهِدٌ ﴿وَجَعَلُوا بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْجِنَّةِ نَسَبًا﴾ (الصافات : ١٥٨) قَالَ كُفَّارُ قُرَيْشٍ المَلَائِكَةُ بَنَاتُ اللهِ وَأُمَّهَاتُهُنَّ بَنَاتُ سَرَوَاتِ الجِنِّ قَالَ اللهُ ﴿وَلَقَدْ عَلِمَتِ الْجِنَّةُ إِنَّهُمْ لَمُحْضَرُونَ﴾ (الصافات : ١٥٨) سَتُحْضَرُ لِلْحِسَابِ ﴿جُنْدٌ مُحْضَرُونَ﴾ (يس : ٧٥) عِنْدَ الْحِسَابِমহান আল্লাহর বাণী: হে জ্বিন ও মানবজাতি! তোমাদের কাছে কি আসেনি তোমাদের মধ্য থেকে রাসূলগণ যারা তোমাদের কাছে আমার নিদর্শনসমূহ বর্ণনা করত (সূরা আন‘আম ১৩০)। بَخْسًا ক্ষতি। ﴿وَجَعَلُوا بَيْنَهُ وَبَيْنَ الْجِنَّةِ نَسَبًا﴾ তারা আল্লাহ ও জ্বিনদের মাঝে সম্পর্ক স্থাপন করেছে (আস-সাফফাত ১৫৮ আয়াতের তাফসীরে)। মুজাহিদ (রহ.) বলেন, কুরাইশ কাফিররা ফেরেশতামণ্ডলীকে আল্লাহর কন্যা এবং তাদের মাতাদেরকে জ্বিনের নেতাদের কন্যা বলে আখ্যায়িত করত। মহান আল্লাহ বলেন: জ্বিনগণ অবশ্যই জানে যে, তাদেরকে হিসাবের সময় উপস্থিত করা হবে। অচিরেই তাদেরকে হিসাবের জন্য উপস্থিত করা হবে। جُنْدٌ مُحْضَرُونَ তারা এমন এক সম্প্রদায় যাদেরকে হিসাবের সময় উপস্থিত করা হবে (ইয়াসীন: ৭৫)।"
সহিহ বুখারী : ৩২৯৬
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৩২৯৬
حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي صَعْصَعَةَ الأَنْصَارِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ ـ رضى الله عنه ـ قَالَ لَهُ " إِنِّي أَرَاكَ تُحِبُّ الْغَنَمَ وَالْبَادِيَةَ، فَإِذَا كُنْتَ فِي غَنَمِكَ وَبَادِيَتِكَ فَأَذَّنْتَ بِالصَّلاَةِ، فَارْفَعْ صَوْتَكَ بِالنِّدَاءِ، فَإِنَّهُ لاَ يَسْمَعُ مَدَى صَوْتِ الْمُؤَذِّنِ جِنٌّ وَلاَ إِنْسٌ وَلاَ شَىْءٌ إِلاَّ شَهِدَ لَهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ". قَالَ أَبُو سَعِيدٍ سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم.
আবূ সা’ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
তিনি আব্দুর রহমান ইবন আব্দুল্লাহ ইবন আব্দুর রহমান ইবন আবূ সাআসাআহ আনসারী (রহঃ)-কে বলেছেন, আমি তোমাকে দেখছি তুমি ছাগলের পাল ও মরুভূমি পছন্দ করছ। অতএব, তুমি যখন তোমার ছাগলের পাল নিয়ে মরুভূমিতে অবস্থান করবে, সালাতের সময় হলে আযান দিবে, আযানে তোমার কণ্ঠস্বর উচ্চ করবে। কেননা মুয়াজ্জিনের কণ্ঠস্বর জিন, মানুষ ও যেকোনো বস্তু শুনে, তারা কেয়ামতের দিন তার পক্ষে সাক্ষ্য দেবে। আবূ সাঈদ (রাঃ) বলেন, আমি এ হাদীসটি আল্লাহর রসূল (ﷺ)-এর কাছ থেকে শুনেছি।
