৬৩/২৬. অধ্যায়ঃ
জাহিলিয়্যাতের যুগ।
সহিহ বুখারী : ৩৮৩২
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৩৮৩২
حَدَّثَنَا مُسْلِمٌ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا ابْنُ طَاوُسٍ عَنْ أَبِيْهِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ كَانُوْا يَرَوْنَ أَنَّ الْعُمْرَةَ فِيْ أَشْهُرِ الْحَجِّ مِنْ الْفُجُوْرِ فِي الأَرْضِ وَكَانُوْا يُسَمُّوْنَ الْمُحَرَّمَ صَفَرًا وَيَقُوْلُوْنَ إِذَا بَرَا الدَّبَرْ وَعَفَا الأَثَرْ حَلَّتْ الْعُمْرَةُ لِمَنْ اعْتَمَرْ قَالَ فَقَدِمَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَأَصْحَابُهُ رَابِعَةً مُهِلِّيْنَ بِالْحَجِّ وَأَمَرَهُمْ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَجْعَلُوْهَا عُمْرَةً قَالُوْا يَا رَسُوْلَ اللهِ أَيُّ الْحِلِّ قَالَ الْحِلُّ كُلُّهُ
ইব্নু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
হজ্জের মাসগুলোতে উমরাহ পালন করাকে কুরাইশগণ পাপ কাজ বলে মনে করত। তারা মহররম মাসের নামকে পরিবর্তন করে সফর মাস নাম দিত এবং বলত, উটের যখম যখন শুকিয়ে যাবে এবং পায়ের চিহ্ন মুছে যাবে তখন উমরাহ পালন করা হালাল হবে যারা পালন করতে চায়।রাসূলুল্লাহ (ﷺ) ও তাঁর সঙ্গী-সাথীরা যিলহজ্জ মাসের চার তারিখে হজ্জের তালবিয়াহ পড়তে পড়তে মক্কায় হাজির হলেন। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) তাঁর সঙ্গী-সাথীদেরকে বললেন, তোমরা উমরায় পরিণত করে নাও। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের জন্য কোন কোন বিষয় হালাল হবে? তিনি বললেন, সকল বিষয় হালাল হয়ে যাবে।
