৬৩/৪৬. অধ্যায়ঃ
নবী (ﷺ)-এর সাহাবীবর্গের মদীনা উপস্থিতি
সহিহ বুখারী : ৩৯২৬
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৩৯২৬
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ يُوْسُفَ أَخْبَرَنَا مَالِكٌ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيْهِ عَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا أَنَّهَا قَالَتْ لَمَّا قَدِمَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم الْمَدِيْنَةَ وُعِكَ أَبُوْ بَكْرٍ وَبِلَالٌ قَالَتْ فَدَخَلْتُ عَلَيْهِمَا فَقُلْتُ يَا أَبَتِ كَيْفَ تَجِدُكَ وَيَا بِلَالُ كَيْفَ تَجِدُكَ قَالَتْ فَكَانَ أَبُوْ بَكْرٍ إِذَا أَخَذَتْهُ الْحُمَّى يَقُوْلُ :كُلُّ امْرِئٍ مُصَبَّحٌ فِيْ أَهْلِهِ وَالْمَوْتُ أَدْنَى مِنْ شِرَاكِ نَعْلِهِوَكَانَ بِلَالٌ إِذَا أَقْلَعَ عَنْهُ الْحُمَّى يَرْفَعُ عَقِيْرَتَهُ وَيَقُوْلُ :أَلَا لَيْتَ شِعْرِيْ هَلْ أَبِيْتَنَّ لَيْلَـةً بِوَادٍ وَحَوْلِيْ إِذْخِرٌ وَجَـلِيْلُوَهَلْ أَرِدَنْ يَوْمًا مِيَاهَ مَــجَنَّةٍ وَهَلْ يَبْدُوَنْ لِيْ شَامَةٌ وَطَـفِيْلُقَالَتْ عَائِشَةُ فَجِئْتُ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرْتُهُ فَقَالَ اللَّهُمَّ حَبِّبْ إِلَيْنَا الْمَدِيْنَةَ كَحُبِّنَا مَكَّةَ أَوْ أَشَدَّ وَصَحِّحْهَا وَبَارِكْ لَنَا فِيْ صَاعِهَا وَمُدِّهَا وَانْقُلْ حُمَّاهَا فَاجْعَلْهَا بِالْجُحْفَةِ
আয়িশা (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) যখন মদীনায় আসলেন, তখন আবু বকর ও বিলাল (রাঃ) ভীষণ জ্বরে আক্রান্ত হয়ে পড়লেন। আমি তাঁদেরকে দেখতে গেলাম এবং বললাম, আব্বাজান, কেমন আছেন? হে বিলাল, আপনি কেমন আছেন?আয়েশা (রাঃ) বলেন, আবু বকর (রাঃ) জ্বরে পড়লেই এ পংক্তিগুলি আবৃত্তি করতেন।“প্রতিটি ব্যক্তিকে নিজ পরিবারে সুপ্রভাত বলা হয়অথচ মৃত্যু তার জুতার ফিতার চাইতেও অতি নিকটে।”আর বিলাল (রাঃ)-এর অবস্থা ছিল এই, যখন তাঁর জ্বর ছেড়ে যেত তখন কণ্ঠস্বর উঁচু করে এ কবিতাটি আবৃত্তি করতেনঃ“হায়, আমি যদি জানতাম আমি এ মক্কা উপত্যকায় আবার রাত্রি কাটাতে পারব কিনাযেখানে ইযখির ও জলীল ঘাস আমার চারপাশে বিরাজমান থাকত।হায়, আর কি আমার ভাগ্যে জুটবে যে, আমি মাজান্নাহ নামক কূপের পানি পান করতে পারব! এবং শামাহ ও তাফিল পাহাড় কি আর আমার চোখে পড়বে!”আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর নিকট গিয়ে এ সংবাদ জানালাম। তখন তিনি এ দোয়া করলেন, “হে আল্লাহ! মদীনাকে আমাদের প্রিয় করে দাও, যেমন প্রিয় ছিল আমাদের মক্কা; বরং তার থেকেও অধিক প্রিয় করে দাও। আমাদের জন্য মদীনাকে স্বাস্থ্যকর করে দাও। মদীনার সা ও মুদ-এর মধ্যে বরকত দান কর। আর এখানকার জ্বরকে সরিয়ে জুহফায় নিয়ে যাও।”
