৬৪/১৪. অধ্যায়ঃ
দুই ব্যক্তি রক্তপণের ব্যাপারে আলোচনা করার জন্য রসূল (ﷺ)-এর বাণী নাযীর গোত্রের নিকট গমন এবং তাঁর সঙ্গে তাদের বিশ্বাসঘাতকতা বিষয়ক ঘটনা
قَالَ الزُّهْرِيُّ عَنْ عُرْوَةَ كَانَتْ عَلَى رَأْسِ سِتَّةِ أَشْهُرٍ مِنْ وَقْعَةِ بَدْرٍ قَبْلَ أُحُدٍ وَقَوْلُ اللَّهِ تَعَالَى ﴿هُوَ الَّذِي أَخْرَجَ الَّذِينَ كَفَرُوا مِنْ أَهْلِ الْكِتَابِ مِنْ دِيَارِهِمْ لِأَوَّلِ الْحَشْرِ مَا ظَنَنْتُمْ أَنْ يَخْرُجُوا﴾ وَجَعَلَهُ ابْنُ إِسْحَاقَ بَعْدَ بِئْرِ مَعُونَةَ وَأُحُدٍযুহরী (রহ.) ‘উরওয়া (রহ.) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, বানু নাযীর যুদ্ধ ওহুদ যুদ্ধের আগে এবং বদর যুদ্ধের পরে ষষ্ঠ মাসের প্রারম্ভে সংঘটিত হয়েছিল। মহান আল্লাহর বাণী: “তিনিই কিতাবওয়ালাদের মধ্যে যারা কাফির তাদেরকে প্রথম সমবেতভাবে তাদের নিবাস থেকে বিতাড়িত করেছিলেন” (সূরা হাশর ৫৯/২)। বানু নাযীর যুদ্ধের এ ঘটনাকে ইবন ইসহাক (রহ.) বিরে মাউনার ঘটনা এবং উহুদ যুদ্ধের পরবর্তী ঘটনা বলে উল্লেখ করেছেন।"
সহিহ বুখারী : ৪০৩২
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪০৩২
إِسْحَاقُ أَخْبَرَنَا حَبَّانُ أَخْبَرَنَا جُوَيْرِيَةُ بْنُ أَسْمَاءَ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم حَرَّقَ نَخْلَ بَنِي النَّضِيْرِ قَالَ وَلَهَا يَقُوْلُ حَسَّانُ بْنُ ثَابِتٍوَهَانَ عَلَى سَرَاةِ بَنِيْ لُؤَيٍّ حَرِيْقٌ بِالْبُوَيْرَةِ مُسْتَطِيْرُقَالَ فَأَجَابَهُ أَبُوْ سُفْيَانَ بْنُ الْحَارِثِأَدَامَ اللهُ ذَلِكَ مِنْ صَنِيْعٍ وَحَرَّقَ فِيْ نَوَاحِيْهَا السَّعِيْرُسَتَعْلَمُ أَيُّنَا مِنْهَا بِنُزْهٍ وَتَعْلَمُ أَيُّ أَرْضَيْنَا تَضِيْرُ
ইব্নু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবি (ﷺ) বানু নাদীর গোত্রের খেজুর গাছগুলো জ্বালিয়ে দিয়েছিলেন। ইবন উমর (রাঃ) বলেন, এ সম্বন্ধেই হাসসান ইবন সাবিত (রাঃ) বলেছেনঃ “বানু লুওয়াই গোত্রের নেতাদের (কুরাইশদের) জন্য সহজ হয়ে গিয়েছে বুওয়াইরাহ নামক স্থানের সর্বত্রই অগ্নিশিখা প্রজ্বলিত হওয়া।” বর্ণনাকারী ইবন উমর (রাঃ) বলেন, এর উত্তরে আবু সুফিয়ান ইবন হারিস বলেছিলঃ “আল্লাহ এ কাজকে স্থায়ী করুন এবং জ্বালিয়ে রাখুন মদিনার আশেপাশে লেলিহান অগ্নিশিখা, শীঘ্রই জানবে আমাদের মাঝে কারা নিরাপত্তায় থাকবে এবং জানবে দুই নগরীর কোনটি ক্ষতিগ্রস্ত হবে”।
[২৩২৬] (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৩৭৩২,ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৩৭৩৬)
