২/৩৪. অধ্যায়ঃ
ঈমানের বৃদ্ধি ও হ্রাস।
وَقَوْلُ اللَّهِ تَعَالَى ﴾وَيَزْدَادَ الَّذِينَ آمَنُوا إِيمَانًا﴿ وَقَوْلُهُ ﴾وَزِدْنَاهُمْ هُدًى﴿ ﴾وَيَزْدَادَ الَّذِينَ آمَنُوا إِيمَانًا﴿ وَقَالَ ﴾الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ﴿ فَإِذَا تَرَكَ شَيْئًا مِنَ الْكَمَالِ فَهُوَ نَاقِصٌআল্লাহ তা‘আলার বাণী: “আমি তাদের হিদায়াত বাড়িয়ে দিয়েছিলাম।” (সূরা কাহফ ১৮/১৩)“যাতে মুমিনদের ঈমান আরো বেড়ে যায়।” (সূরা মুদ্দাসসির ৭৪/৩১)তিনি আরও ইরশাদ করেন, “আজ আমি তোমাদের জন্য তোমাদের দীনকে পরিপূর্ণ করে দিলাম।” (সূরা আল-মায়িদা ৫/৩)পূর্ণ জিনিস থেকে কিছু বাদ দেয়া হলে তা অপূর্ণ হয়।
সহিহ বুখারী : ৪৫
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৪৫
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ الصَّبَّاحِ، سَمِعَ جَعْفَرَ بْنَ عَوْنٍ، حَدَّثَنَا أَبُو الْعُمَيْسِ، أَخْبَرَنَا قَيْسُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، أَنَّ رَجُلاً، مِنَ الْيَهُودِ قَالَ لَهُ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ، آيَةٌ فِي كِتَابِكُمْ تَقْرَءُونَهَا لَوْ عَلَيْنَا مَعْشَرَ الْيَهُودِ نَزَلَتْ لاَتَّخَذْنَا ذَلِكَ الْيَوْمَ عِيدًا. قَالَ أَىُّ آيَةٍ قَالَ {الْيَوْمَ أَكْمَلْتُ لَكُمْ دِينَكُمْ وَأَتْمَمْتُ عَلَيْكُمْ نِعْمَتِي وَرَضِيتُ لَكُمُ الإِسْلاَمَ دِينًا}. قَالَ عُمَرُ قَدْ عَرَفْنَا ذَلِكَ الْيَوْمَ وَالْمَكَانَ الَّذِي نَزَلَتْ فِيهِ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ قَائِمٌ بِعَرَفَةَ يَوْمَ جُمُعَةٍ.
‘উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
জনৈক ইহুদি তাঁকে বললঃ হে আমীরুল মুমিনীন! আপনাদের কিতাবে একটি আয়াত আছে, যা আপনারা পাঠ করে থাকেন, তা যদি আমাদের ইহুদি জাতির উপর অবতীর্ণ হত, তবে অবশ্যই আমরা সে দিনকে খুশির দিন হিসেবে পালন করতাম। তিনি বললেন, কোন আয়াত? সে বললঃ “আজ তোমাদের জন্য তোমাদের দ্বীন পরিপূর্ণ করলাম ও তোমাদের প্রতি আমার নিয়ামত সম্পূর্ণ করলাম এবং ইসলামকে তোমাদের দ্বীন মনোনীত করলাম” –(সূরা আল-মায়িদাহ ৫/৩)।উমর (রাঃ) বললেন, এটি যে দিনে এবং যে স্থানে নবী (ﷺ)-এর উপর অবতীর্ণ হয়েছিল তা আমরা জানি; তিনি সেদিন আরাফায় দাঁড়িয়েছিলেন আর সেটা ছিল জুমার দিন।
(৪৪০৭, ৪৬০৬, ৭২৬৮; মুসলিম ৪৩/১ হাঃ ৩০১৭) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪৩, ইসলামী ফাউন্ডেশনঃ ৪৩)
