৭৩/১৬. অধ্যায়ঃ
কুরবানীর গোশত থেকে কতটুকু খাওয়া যাবে, আর কতটুকু সঞ্চয় করে রাখা যাবে।
সহিহ বুখারী : ৫৫৭২
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৫৫৭২
قَالَ أَبُو عُبَيْدٍ ثُمَّ شَهِدْتُ الْعِيدَ مَعَ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ فَكَانَ ذ‘لِكَ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فَصَلّٰى قَبْلَ الْخُطْبَةِ ثُمَّ خَطَبَ فَقَالَ يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّ هٰذَا يَوْمٌ قَدْ اجْتَمَعَ لَكُمْ فِيهِ عِيدَانِ فَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يَنْتَظِرَ الْجُمُعَةَ مِنْ أَهْلِ الْعَوَالِي فَلْيَنْتَظِرْ وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يَرْجِعَ فَقَدْ أَذِنْتُ لَهُ.
আবূ ‘উবায়দ (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আবু উবাইদ বলেন: এরপর আমি উসমান ইবন আফফান (রাঃ)-এর সময়ও হাজির হয়েছি। সেদিন ছিল জুমার দিন। তিনি খুতবা দানের আগে সালাত আদায় করলেন। এরপর তিনি খুতবা দিতে দাঁড়িয়ে বললেন: হে লোক সকল! এটি এমন দিন, যে দিন তোমাদের জন্য দুটি ঈদ একত্রে হয়ে গেছে। কাজেই তোমাদের মধ্যে আওয়ালী (মদিনার চার মাইল পূর্বে অবস্থিত) এলাকার যে ব্যক্তি জুমার সালাতের অপেক্ষা করতে চায়, সে যেন অপেক্ষা করে। আর যে ফিরে যেতে চায়, তার জন্য আমি অনুমতি প্রদান করলাম। [১]
(আধুনিক প্রকাশনী- ৫১৬৪, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫০৬০)[১] ঈদের খুতবা শোনা ঐচ্ছিক, কেউ ইচ্ছে করলে খুতবা না শুনেই ঈদের মাঠ ত্যাগ করতে পারে। যেমন স্পষ্ট সহীহ হাদীস বর্ণিত হয়েছে ‘আবদুল্লাহ বিন সাইব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,شَهِدْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ ﷺ الْعِيدَ فَلَمَّا قَضَى الصَّلَاةَ قَالَ إِنَّا نَخْطُبُ فَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يَجْلِسَ لِلْخُطْبَةِ فَلْيَجْلِسْ وَمَنْ أَحَبَّ أَنْ يَذْهَبَ فَلْيَذْهَبْ) আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম)- এর সঙ্গে ঈদের জন্য উপস্থিত হয়েছিলাম। আমাদেরকে নিয়ে সলাত আদায়ের পর ঘোষণা দিলেন, আমরা ঈদের সলাত পূর্ণ করে ফেলেছি, যে খুৎবার জন্য বসতে পছন্দ কর সে বস। আর যে চলে যাওয়া পছন্দ কর সে চলে যাও। (সহীহ ইবনু মাজাহ ১২৯০, সহীহ আবূ দাউদ ১১৫৫, হাকিম ১০৯৩, দারাকুতনী ৩০, বাইহাকী আল-কুবরা ৬০১৯)অনুরূপভাবে জুমু’আহর দিনে হলে সেদিন জুমু’আহ সলাত আদায়ও ঐচ্ছিক। অর্থাৎ জুমু’আহ মসজিদ হতে দূরবর্তী এলাকাবাসী নিজ নিজ ওয়াক্তিয়া মাসজিদে ইচ্ছে করলে জুমু’আর পরিবর্তে যুহরের সলাত আদায় করতে পারবে।
