৮১/৩৯. অধ্যায়ঃ
নবী (ﷺ)-এর বাণী: “আমাকে ও কেয়ামাতকে পাঠানো হয়েছে এ দু’টি আঙ্গুলের মত”। আল্লাহর ইরশাদ: কেয়ামতের ব্যাপার তো চোখের পলকের মত বরং তাত্থেকেও দ্রুত। আল্লাহ সব কিছু করতেই সক্ষম। (সূরা নাহল ১৬/৭৭)
সহিহ বুখারী : ৬৫০৩
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৬৫০৩
سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ حَدَّثَنَا أَبُو غَسَّانَ حَدَّثَنَا أَبُو حَازِمٍ عَنْ سَهْلٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم بُعِثْتُ أَنَا وَالسَّاعَةَ هَكَذَا وَيُشِيرُ بِإِصْبَعَيْهِ فَيَمُدُّ بِهِمَا
সাহ্ল (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
নবী (ﷺ) বলেছেন: আমাকে পাঠানো হয়েছে কেয়ামতের সঙ্গে এভাবে। এ বলে তিনি তাঁর দুই আঙুল দ্বারা ইশারা করে সে দুটোকে প্রসারিত করলেন। [৩৭]
(আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৫৩, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৫৯)[৩৭] হাদীসটি কিয়ামাত যে অতি সন্নিকটে তার দিকে ইঙ্গিতবহ । শেষ নাবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর পৃথিবীতে আগমন কিয়ামাতের প্রথম নিদর্শন । কিয়ামাতের অনেক আলামাতই প্রকাশিত হয়ে গেছে যা আমরা দেখতে পাচ্ছি । ব্যভিচার ছড়িয়ে পড়ছে, আমানাত বিদায় নিচ্ছে, ইল্ম উঠে যাচ্ছে, ফাসিক ফাজিররা সমাজের নেতৃত্ব দিচ্ছে, গায়ক গায়িকাদের দারুনভাবে কদর করা হচ্ছে । এখন কিয়ামাত কোন মুহূর্তে ঘটবে সেটাতো কেবল আল্লাহ্ই জানেন । কিয়ামতের পূর্বে কিয়ামতের নিদর্শনসমূহের অগ্রগামিতার হিকমত হল, গাফিলদের সতর্ক করা এবং তাওবাহ ও কিয়ামাতের জন্য প্রস্তুতি গ্রহনে উৎসাহ প্রদান । (ফাতহুল বারী)
