৮১/৪৬. অধ্যায়ঃ
কেয়ামতের কম্পন এক ভয়ানক জিনিস- (সূরা হাজ্জ ২২/১)। আগমনকারী মুহূর্ত (কেয়ামত) নিকটবর্তী- (সূরা নাজম ৫৩/৫৭)। কেয়ামত নিকটবর্তী হয়েছে- (সূরা আল-কামার ৫৪/১)।
সহিহ বুখারী : ৬৫৩০
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৬৫৩০
حَدَّثَنِي يُوسُفُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " يَقُولُ اللَّهُ يَا آدَمُ. فَيَقُولُ لَبَّيْكَ وَسَعْدَيْكَ وَالْخَيْرُ فِي يَدَيْكَ. قَالَ يَقُولُ أَخْرِجْ بَعْثَ النَّارِ. قَالَ وَمَا بَعْثُ النَّارِ قَالَ مِنْ كُلِّ أَلْفٍ تِسْعَمِائَةٍ وَتِسْعَةً وَتِسْعِينَ. فَذَاكَ حِينَ يَشِيبُ الصَّغِيرُ، وَتَضَعُ كُلُّ ذَاتِ حَمْلٍ حَمْلَهَا، وَتَرَى النَّاسَ سَكْرَى وَمَا هُمْ بِسَكْرَى وَلَكِنَّ عَذَابَ اللَّهِ شَدِيدٌ ". فَاشْتَدَّ ذَلِكَ عَلَيْهِمْ فَقَالُوا يَا رَسُولُ اللَّهِ أَيُّنَا الرَّجُلُ قَالَ " أَبْشِرُوا، فَإِنَّ مِنْ يَأْجُوجَ وَمَأْجُوجَ أَلْفٌ وَمِنْكُمْ رَجُلٌ ـ ثُمَّ قَالَ ـ وَالَّذِي نَفْسِي فِي يَدِهِ إِنِّي لأَطْمَعُ أَنْ تَكُونُوا ثُلُثَ أَهْلِ الْجَنَّةِ ". قَالَ فَحَمِدْنَا اللَّهَ وَكَبَّرْنَا، ثُمَّ قَالَ " وَالَّذِي نَفْسِي فِي يَدِهِ إِنِّي لأَطْمَعُ أَنْ تَكُونُوا شَطْرَ أَهْلِ الْجَنَّةِ، إِنَّ مَثَلَكُمْ فِي الأُمَمِ كَمَثَلِ الشَّعَرَةِ الْبَيْضَاءِ فِي جِلْدِ الثَّوْرِ الأَسْوَدِ أَوِ الرَّقْمَةِ فِي ذِرَاعِ الْحِمَارِ ".
আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেন: আল্লাহ ডেকে বলবেন, “হে আদম!” তিনি বলবেন, “আমি তোমার খিদমতে হাজির। যাবতীয় কল্যাণ তোমারই হাতে।”রসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেন, আল্লাহ বলবেন, “জাহান্নামীদের (নিক্ষেপ করার জন্য) বের কর।” আদম (আঃ) বলবেন, “কী পরিমাণ জাহান্নামী বের করব?” আল্লাহ বলবেন, “প্রতি হাজারে নয়শ নিরানব্বই জন।” আর এটা ঘটবে ঐ সময়, যখন (কেরয়ামতের ভয়াবহতায়) শিশু বুড়িয়ে যাবে।” (আয়াত) : “আর প্রত্যেক গর্ভবতী গর্ভপাত করে ফেলবে, আর মানুষকে দেখবে মাতাল, যদিও তারা প্রকৃতপক্ষে মাতাল নয়, কিন্তু আল্লাহর শাস্তি বড়ই কঠিন (যার কারণে তাদের ঐ অবস্থা ঘটবে)” (সূরা হজ্জ ২২/২)।এ ব্যাপারটি সাহাবীদের নিকট বড় কঠিন মনে হল। তখন তাঁরা বললেনঃ “হে আল্লাহর রসূল! আমাদের মধ্য থেকে (মুক্তি প্রাপ্ত) সেই লোকটি কে হবেন?”তিনি বললেন: “তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ কর যে ইয়াজুজ ও মাজুজ থেকে এক হাজার আর তোমাদের হবে একজন।”এরপর তিনি বললেন: “শপথ ঐ সত্তার, যাঁর করতলে আমার প্রাণ! আমি আশা রাখি যে তোমরা জান্নাতীদের এক-তৃতীয়াংশ হবে।”বর্ণনাকারী বলেন, এরপর আমরা ‘আলহামদুলিল্লাহ’ ও ‘আল্লাহু আকবর’ বলে উঠলাম।তিনি আবার বললেন: “শপথ ঐ সত্তার, যাঁর হাতের মুঠোয় আমার প্রাণ! আমি অবশ্যই আশা রাখি যে তোমরা জান্নাতীদের অর্ধেক হবে। অন্য সব উম্মতের তুলনায় তোমাদের দৃষ্টান্ত হচ্ছে কাল ষাঁড়ের চামড়ায় একটি সাদা চুলের মত। অথবা সাদা দাগ, যা গাধার সামনের পায়ে হয়ে থাকে।”
[৩৩৪৮; মুসলিম ১/৯২, হাঃ ২২২, আহমাদ ১১২৮৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬০৮০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬০৮৬)
