৯৬/৬. অধ্যায়ঃ
দ্বীনের ব্যাপারে অতিরিক্ত কঠোরতা করা, তর্কে লিপ্ত হওয়া, বাড়াবাড়ি করা এবং বিদআত অপছন্দনীয়।
সহিহ বুখারী : ৭৩০০
সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৭৩০০
حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، حَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ التَّيْمِيُّ، حَدَّثَنِي أَبِي قَالَ، خَطَبَنَا عَلِيٌّ ـ رضى الله عنه ـ عَلَى مِنْبَرٍ مِنْ آجُرٍّ، وَعَلَيْهِ سَيْفٌ فِيهِ صَحِيفَةٌ مُعَلَّقَةٌ فَقَالَ وَاللَّهِ مَا عِنْدَنَا مِنْ كِتَابٍ يُقْرَأُ إِلاَّ كِتَابُ اللَّهِ وَمَا فِي هَذِهِ الصَّحِيفَةِ. فَنَشَرَهَا فَإِذَا فِيهَا أَسْنَانُ الإِبِلِ وَإِذَا فِيهَا " الْمَدِينَةُ حَرَمٌ مِنْ عَيْرٍ إِلَى كَذَا، فَمَنْ أَحْدَثَ فِيهَا حَدَثًا فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ وَالْمَلاَئِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ، لاَ يَقْبَلُ اللَّهُ مِنْهُ صَرْفًا وَلاَ عَدْلاً ". وَإِذَا فِيهِ " ذِمَّةُ الْمُسْلِمِينَ وَاحِدَةٌ يَسْعَى بِهَا أَدْنَاهُمْ، فَمَنْ أَخْفَرَ مُسْلِمًا فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ وَالْمَلاَئِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ، لاَ يَقْبَلُ اللَّهُ مِنْهُ صَرْفًا وَلاَ عَدْلاً ". وَإِذَا فِيهَا " مَنْ وَالَى قَوْمًا بِغَيْرِ إِذْنِ مَوَالِيهِ فَعَلَيْهِ لَعْنَةُ اللَّهِ وَالْمَلاَئِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ لاَ يَقْبَلُ اللَّهُ مِنْهُ صَرْفًا وَلاَ عَدْلاً ".
ইবরাহীম তায়মী (রহঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমার পিতা বর্ণনা করেছেন যে, একবার আলী (রাঃ) পাকা ইটের তৈরি একটি মিম্বরে উঠে আমাদের উদ্দেশ্যে খুতবা দিলেন। তাঁর সাথে একটি তলোয়ার ছিল, যার মাঝে একটি সহীফা ঝুলছিল। তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! আমাদের কাছে আল্লাহর কিতাব এবং যা এই সহীফাতে লেখা আছে এ ব্যতীত অন্য এমন কোন কিতাব নেই যা পাঠ করা যেতে পারে। তারপর তিনি তা খুললেন। তাতে উটের বয়স সম্পর্কে লেখা ছিল এবং লেখা ছিল যে, 'আয়র' পর্বত থেকে অমুক স্থান পর্যন্ত মদীনা হারাম (পবিত্র এলাকা) বলে গণ্য হবে।যে কেউ এখানে কোন অন্যায় করবে তার উপর আল্লাহ, ফেরেশতামন্ডলী ও সকল মানুষের অভিসম্পাত। আর আল্লাহ তার ফরজ ও নফল কোন ইবাদতই কবুল করবেন না।এবং তাতে আরও ছিল যে, এখানকার সকল মুসলিমের নিরাপত্তা একই স্তরের। একজন নিম্ন স্তরের লোকও (অন্যকে) নিরাপত্তা দিতে পারবে। যদি কেউ অন্য মুসলিমের প্রদত্ত নিরাপত্তাকে লংঘন করে, তাহলে তার উপর আল্লাহর, ফেরেশতামন্ডলীর ও সকল মানুষের লা'নাত। আল্লাহ তা'আলা তার ফরজ ও নফল কোন ইবাদতই গ্রহণ করবেন না।তাতে আরও ছিল, যদি কেউ তার (মুক্তিদাতা) মনিবের অনুমতি ছাড়া অন্যকে নিজের (গোলামী কালীন সময়ের) মনিব বলে উল্লেখ করে, তাহলে তার উপর আল্লাহর, ফেরেশতামন্ডলীর ও সকল মানুষের অভিসম্পাত। আর আল্লাহ তা'আলা তার ফরজ, নফল কোন ইবাদতই কবুল করবেন না।
[১১১; মুসলিম ১৫/৮৫, হাঃ ১৩৭০, আহমাদ ১৩৭, ৬১৫] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৭৯০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৮০২)
