৯৭/৩১. অধ্যায়ঃ

আল্লাহর ইচ্ছা ও চাওয়া।

আল্লাহর বাণী: “তোমরা ইচ্ছা করবে না যদি না আল্লাহ ইচ্ছা করেন।” (সূরা আদ-দাহর ৭৬/৩০)। আল্লাহর বাণী: “তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা প্রদান করো।” (সূরা আল-ইমরান ৩/২৬)। কোনো বিষয় সম্পর্কে কখনো বোলো না যে, ‘ওটা আমি আগামীকাল করব’—‘আল্লাহ ইচ্ছে করলে’ বলা ছাড়া। (সূরা আল-কাহাফ ১৮/২৩-২৪)। আল্লাহর বাণী: “তুমি যাকে ভালোবাস তাকে সৎপথ দেখাতে পারবে না, বরং আল্লাহই যাকে চান সৎ পথে পরিচালিত করেন।” (সূরা আল-ক্বাসাস ২৮/৫৬)। সা‘ঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব (রহ.) তাঁর পিতা মুসাইয়্যাব থেকে বলেন, উক্ত আয়াত আবূ ত্বালিব সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। আল্লাহর বাণী: “আল্লাহ তোমাদের জন্য যা সহজ তা চান এবং যা তোমাদের জন্য কষ্টকর তা চান না।” (সূরা আল-বাক্বারা ২/১৮৫)

সহিহ বুখারীহাদিস নম্বর ৭৪৭৮

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو حَفْصٍ، عَمْرٌو حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي ابْنُ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ ـ رضى الله عنهما ـ أَنَّهُ تَمَارَى هُوَ وَالْحُرُّ بْنُ قَيْسِ بْنِ حِصْنٍ الْفَزَارِيُّ فِي صَاحِبِ مُوسَى أَهُوَ خَضِرٌ، فَمَرَّ بِهِمَا أُبَىُّ بْنُ كَعْبٍ الأَنْصَارِيُّ، فَدَعَاهُ ابْنُ عَبَّاسٍ فَقَالَ إِنِّي تَمَارَيْتُ أَنَا وَصَاحِبِي هَذَا فِي صَاحِبِ مُوسَى الَّذِي سَأَلَ السَّبِيلَ إِلَى لُقِيِّهِ، هَلْ سَمِعْتَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَذْكُرُ شَأْنَهُ قَالَ نَعَمْ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ بَيْنَا مُوسَى فِي مَلإِ بَنِي إِسْرَائِيلَ إِذْ جَاءَهُ رَجُلٌ فَقَالَ هَلْ تَعْلَمُ أَحَدًا أَعْلَمَ مِنْكَ فَقَالَ مُوسَى لاَ‏.‏ فَأُوحِيَ إِلَى مُوسَى بَلَى عَبْدُنَا خَضِرٌ‏.‏ فَسَأَلَ مُوسَى السَّبِيلَ إِلَى لُقِيِّهِ، فَجَعَلَ اللَّهُ لَهُ الْحُوتَ آيَةً وَقِيلَ لَهُ إِذَا فَقَدْتَ الْحُوتَ فَارْجِعْ فَإِنَّكَ سَتَلْقَاهُ‏.‏ فَكَانَ مُوسَى يَتْبَعُ أَثَرَ الْحُوتِ فِي الْبَحْرِ فَقَالَ فَتَى مُوسَى لِمُوسَى أَرَأَيْتَ إِذْ أَوَيْنَا إِلَى الصَّخْرَةِ فَإِنِّي نَسِيتُ الْحُوتَ وَمَا أَنْسَانِيهِ إِلاَّ الشَّيْطَانُ أَنْ أَذْكُرَهُ، قَالَ مُوسَى ذَلِكَ مَا كُنَّا نَبْغِي، فَارْتَدَّا عَلَى آثَارِهِمَا قَصَصًا فَوَجَدَا خَضِرًا، وَكَانَ مِنْ شَأْنِهِمَا مَا قَصَّ اللَّهُ ‏"‏‏.‏

ইব্‌নু ‘আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

তিনি এবং হুর ইবন কায়স ইবন হিসন ফাযারী (রাঃ) মূসা (আঃ)-এর সঙ্গীর ব্যাপারে দ্বিমত করছিলেন যে, তিনি কি খাজির ছিলেন? এমন সময় তাঁদের পাশ দিয়ে উবাই ইবন কা’ব আনসারী (রাঃ) যাচ্ছিলেন। আবদুল্লাহ ইবন আব্বাস (রাঃ) তাঁকে ডেকে বললেন, আমি এবং আমার এ বন্ধু মূসা (আঃ)-এর সঙ্গী সম্পর্কে বিতর্ক করেছি মূসা (আঃ) যার সঙ্গে সাক্ষাতের পথের সন্ধান চেয়েছিলেন। আপনি কি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে তাঁর সম্পর্কে কিছু বলতে শুনেছেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। অবশ্যই আমি রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে তাঁর ব্যাপারে উল্লেখ করে বলতে শুনেছি যে, এক সময় মূসা (আঃ) বনী ইসরাঈলের একদল লোকের মাঝে ছিলেন। এমন সময় এক লোক তাঁর কাছে এসে জিজ্ঞেস করলো, মূসা! আপনি কি জানেন, আপনার চেয়ে বেশি জ্ঞানী কেউ আছেন? মূসা (আঃ) বললেন, না।তারপর মূসা (আঃ)-এর কাছে ওহী নাযিল হল যে, হ্যাঁ আছেন, আমার বান্দা খাজির। তখন মূসা (আঃ) তাঁর সঙ্গে দেখা করার পথ সম্পর্কে জানতে চাইলেন। সুতরাং আল্লাহ সেজন্য একটি মাছকে নিদর্শন হিসেবে ঠিক করলেন এবং তাঁকে বলা হল, মাছটিকে যখন হারিয়ে ফেলবে, তখন সেদিকে ফিরে যাবে, তবে তুমি তাঁর দেখা পাবে।এ ঘটনার প্রেক্ষাপটে মূসা (আঃ) সাগরে মাছের চিহ্ন ধরে খোঁজ করতে থাকলে মূসার সঙ্গীটি বলল, ‘আপনি কি লক্ষ্য করেছেন, আমরা যখন শিলাখণ্ডে (বসে) ছিলাম তখন আমি মাছের কথা ভুলে গিয়েছিলাম। সেটার কথা আপনাকে বলতে শয়তানই আমাকে ভুলিয়ে দিয়েছিল- (সূরা কাহাফ ১৮/৬৩)। মূসা বলল, ‘এটাই তো সে জায়গা যেটা আমরা খুঁজছি।’ কাজেই তাঁরা তাঁদের পায়ের চিহ্ন ধরে ফিরে গেল। তখন তাঁরা পেল- (সূরা কাহাফ ১৮/৬৪-৬৫)। তাঁদের এ দুজনের ঘটনা যা ঘটেছিল, আল্লাহ তারই বর্ণনা দিয়েছেন।

আধুনিক প্রকাশনী- ৬৯৬০, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৯৭০

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন