৫/৩৭. অধ্যায়ঃ
ফজর ও আসরের সালাতের মর্যাদা এবং এ দুই সালাতের প্রতি যত্নবান হওয়া।
আল লু'লু ওয়াল মারজান : ৩৬৮
আল লু'লু ওয়াল মারজানহাদিস নম্বর ৩৬৮
حديث جَرِيرٍ، قَالَ: كُنَّا عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَنَظَرَ إِلَى الْقَمَر لَيْلَةً، يَعْنِي الْبَدْرَ، فَقَالَ: إِنَّكُمْ سَتَرَوْنَ رَبَّكُمْ كَمَا تَرَوْنَ هذَا الْقَمَرَ، لاَ تُضَامُّونَ فِي رُؤْيَتِهِ، فَإِنِ اسْتَطَعْتُمْ أَنْ لاَ تُغْلَبُوا عَلَى صَلاَةٍ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ غُرُوبِهَا فَافْعَلُوا ثُمَّ قَرَأَ: (وَسَبِّحْ بِحَمْدِ رَبِّكَ قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ وَقَبْلَ الْغُرُوبِ)
জরীর ইব্নু ‘আবদুল্লাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদা আমরা নবী (ﷺ)-এর নিকট উপস্থিত ছিলাম। তিনি রাতে (পূর্ণিমার) চাঁদের দিকে তাকিয়ে বললেনঃ ঐ চাঁদকে তোমরা যেমন দেখছ, ঠিক তেমনি অচিরেই তোমাদের প্রতিপালককে তোমরা দেখতে পাবে। তাঁকে দেখতে তোমরা কোনো ভীড়ের সম্মুখীন হবে না। কাজেই সূর্য উদয়ের এবং অস্ত যাওয়ার পূর্বের সলাত (শয়তানের প্রভাবমুক্ত হয়ে) আদায় করতে পারলে তোমরা তাই করবে। অতঃপর তিনি নিম্নোক্ত আয়াত পাঠ করলেন, “কাজেই তোমার প্রতিপালকের প্রশংসার তাসবীহ্ পাঠ কর সূর্যোদয়ের পূর্বে ও সূর্যাস্তের পূর্বে।” (ক্বাফঃ ৩৯) ইসমাঈল (রহঃ) বলেন, এর অর্থ হল : এমনভাবে আদায় করার চেষ্টা করবে যেন কখনো ছুটে না যায়।
সহীহুল বুখারী, পর্ব ১: সালাতের সময়সমূহ, অধ্যায় ১৬, হাঃ ৫৫৪; মুসলিম, পর্ব ৫: মসজিদ ও সালাতের স্থানসমূহের বর্ণনা, অধ্যায় ৩৬, হাঃ ৬৩৩
