৪/৩১. অধ্যায়ঃ
রাতের সালাত - প্রথম অনুচ্ছেদ
জেনে রাখা ভাল যে, সালাতুল লায়ল, ক্বিয়ামুল লায়ল ও তাহাজ্জুদ একই সালাতের বিভিন্ন নাম। যার ওয়াক্ত ’ইশার সালাতের পর থেকে ফাজর (ফজর) হওয়ার পূর্ব পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। তবে এটাও বলা হয়ে থাকে যে, বিশেষভাবে তাহাজ্জুদ ঐ সালাতকে বলা হয় যা শেষ রাতে আদায় করা হয়ে থাকে। কিন্তু প্রথম উক্তিটিই অগ্রগণ্য।
মিশকাতুল মাসাবিহ : ১২০৫-[৬]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ১২০৫-[৬]
وَعَنْ أَبِىْ ذَرٍّ قَالَ: قَامَ رَسُولُ اللّهِ ﷺ حَتّى أَصْبَحَ بِايَةٍ وَالْايَةُ: ﴿إِنْ تُعَذِّبْهُمْ فَإِنَّهُمْ عِبَادُكَ وَإِنْ تَغْفِرْ لَهُمْ فَإنَّك أَنْت الْعَزِيْزُ الْحَكِيْمُ﴾ [المائدة 5 : 118] رَوَاهُ النَّسَائِيّ وَابْنُ مَاجَهْ
আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
(এক রাত্রে) রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাহাজ্জুদের সালাতে ভোর পর্যন্ত দাঁড়িয়ে একটি মাত্র আয়াত পড়তে থাকলেন, আয়াতটি এই “ইন তু‘আয্যিব হুম ফায়িন্নাহুম ‘ইবা-দুকা ওয়া ইন তাগ্ফির লাহুম ফায়িন্নাকা আন্তাল ‘আযীযুল হাকীম” অর্থাৎ “হে আল্লাহ! যদি তুমি তাদেরকে আযাব দাও তাহলে তারা তোমার বান্দা। আর যদি তুমি তাদেরকে মাফ করো, তাহলে তুমি সবচেয়ে শক্তিশালী ও প্রজ্ঞাময়”- (সূরাহ্ আল মায়িদাহ্ ৫ : ১১৮)। (নাসায়ী, ইবনু মাজাহ) [১]
[১] হাসান : নাসায়ী ১০১০, ইবনু মাজাহ্ ১৩৫০।
