৪/৫০. অধ্যায়ঃ
সূর্যগ্রহণ ও চন্দ্রগ্রহণের সালাত - দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ১৪৯৬-[৫]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ১৪৯৬-[৫]
وَعَن سَعْدِ بْنِ أِبِيْ وَقَّاص قَالَ: خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللّهِ ﷺ مِنْ مَكَّةَ نُرِيْدُ الْمَدِينَةَ فَلَمَّا كُنَّا قَرِيبًا مِنْ عَزْوَزَاءَ نَزَلَ ثُمَّ رَفَعَ يَدَيْهِ فَدَعَا اللّهَ سَاعَةً ثُمَّ خَرَّ سَاجِدًا فَمَكَثَ طَوِيْلًا ثُمَّ قَامَ فَرَفَعَ يَدَيْهِ سَاعَةً ثُمَّ خَرَّ سَاجِدًا فَمَكَثَ طَوِيْلًا ثُمَّ قَامَ فَرَفَعَ يَدَيْهِ سَاعَةً ثُمَّ خَرَّ سَاجِدًا قَالَ: «إِنِّىْ سَأَلْتُ رَبِّىْ وَشَفَعْتُ لِأُمَّتِىْ فَأَعْطَانِىْ ثُلُثَ أُمَّتِىْ فَخَرَرْتُ سَاجِدًا لِرَبِّىْ شُكْرًا ثُمَّ رَفَعْتُ رَأْسِىْ فَسَأَلْتُ رَبِّىْ لِأُمَّتِىْ فَأَعْطَانِىْ ثُلُثَ أُمَّتِىْ فَخَرَرْتُ سَاجِدًا لِرَبِّىْ شُكْرًا ثُمَّ رَفَعْتُ رَأْسِىْ فَسَأَلْتُ رَبِّىْ لِأُمَّتِىْ فَأَعْطَانِي الثُّلُثَ الْاخِرَ فَخَرَرْتُ سَاجِدًا لِرَبِّىْ شُكْرًا» . رَوَاهُ أَحْمَدُ وَأَبُو دَاوُدَ
সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
আমরা একবার রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাথে মাক্কাহ হতে মাদীনার উদ্দেশ্যে পথযাত্রা শুরু করলাম। আমরা গাযওয়াযা নামক স্থানের কাছে পৌঁছলে তিনি (ﷺ) আরোহী হতে নামলেন। দুইহাত উঠালেন। কিছু সময় পর্যন্ত আল্লাহর নিকট দোয়া করতে থাকলেন। তারপর সাজদায় গেলেন। দীর্ঘক্ষণ সাজদায় পড়ে থাকলেন। তারপর দাঁড়ালেন। কিছু সময় পর্যন্ত হাত উঠিয়ে থাকলেন। তারপর আবার সাজদায় গেলেন। দীর্ঘক্ষণ সাজদায় থাকলেন।তারপর সিজদাহ হতে উঠে দুইহাত তুলে রাখলেন বেশ কিছুক্ষণ। তারপর আবার সাজদায় গেলেন। বললেন, আমি আমার রবের কাছে আরয করলাম। আমার উম্মাতের জন্য সুপারিশ করলাম। তিনি আমাকে আমার উম্মাতের তিনভাগের একভাগ দান করলেন। এজন্য আমি আমার রবের শুকর আদায় করার জন্য সাজদায় গেলাম।তারপর আমি আমার মাথা উঠালাম। আমার রবের কাছে আমার উম্মাতের জন্য আবার আবেদন জানালাম। এবার তিনি আমাকে আমার উম্মাতের আর এক অংশ দান করলেন। এজন্য আমি আমার রবের শুকর আদায় করার জন্য আবার সাজদায় চলে গেলাম।এরপর আবার আমি মাথা উঠালাম। আমার রবের কাছে আমার উম্মাতের জন্য আবেদন জানালাম। এবার তিনি আমাকে আমার উম্মাতের শেষ তৃতীয়াংশ দান করলেন। এ কারণে এবার আমি আমার রবের শুকর আদায়ের জন্য তৃতীয়বার সাজদায় মনোনিবেশ করলাম। (আহমাদ, আবূ দাঊদ) [১]
[১] য‘ঈফ : আবূ দাঊদ ২৭৭৫, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৩৯৩৫, সিলসিলাহ্ আয্ য‘ঈফাহ্ ৩২৩০, য‘ঈফ আল জামি‘ ২০৮৯। কারণ এর সানাদে ইয়াহ্ইয়া বিন হাসান একজন দুর্বল রাবী। ইমাম যাহাবী এবং হাফিয ইবনু হাজার (রহঃ) তাকে মাজহূল বলেছেন। আর আশ্‘আস বিন ইসহাক ও একজন মাজহূল রাবী।
