১/৫. অধ্যায়ঃ
কিতাব ও সুন্নাহকে সুদৃঢ়ভাবে আঁকড়ে ধরা - তৃতীয় অনুচ্ছেদ
মিশকাতুল মাসাবিহ : ১৯৭-[৫৮]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ১৯৭-[৫৮]
وَعَنِ اَبِيْ ثَعْلَبَةَ الْخُشَنِيِّ قَالَ قَالَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ اِنَّ اللهَ فَرَضَ فَرَائِضَ فَلَا تُضَيِّعُوْهَا وَحَرَّمَ حُرُمَاتٍ فَلَا تَنْتَهِكُوْهَا وَحَدَّ حُدُوْدًا فَلَا تَعْتَدُوْهَا وَسَكَتَ عَنْ اَشْيَاءَ مِنْ غَيْرِ نِسْيَانٍ فَلَا تَبْحَثُوْا عَنْهَا. رَوَى الْأَحَادِيْثَ الثَّلَاثَةَ الدَّارَقُطْنِيُّ
আবূ সা‘লাবাহ্ আল খুশানী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) বলেছেনঃ আল্লাহ তা‘আলা কিছু জিনিসকে ফরজ হিসেবে নির্ধারিত করে দিয়েছেন, সেগুলো ছেড়ে দিবে না। তিনি কিছু জিনিসকে হারাম করে দিয়েছেন সে (হারাম) কাজগুলো করবে না। আর কতকগুলো (জিনিসের) সীমা নির্ধারন করে দিয়েছেন, সেগুলোর সীমালঙ্ঘন করবে না। আর কিছু বিষয়ে তিনি ইচ্ছাকৃতভাবেই নীরব রয়েছেন, সে সকল বিষয়ে বিতর্ক-বাহাসে লিপ্ত হবে না।উপরের তিনটি হাদীসই দারাকুত্বনী বর্ণনা করেছেন। [১]
[১] হাসান : দারাকুত্বনী ৪/১৮৪ (ইবনু তাইমিয়াহ্ এর ‘‘তাহকীফুল ঈমান’’)।
