৭/৬. অধ্যায়ঃ

নফল সিয়াম প্রসঙ্গে - তৃতীয় অনুচ্ছেদ

মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ২০৬৭-[৩১]

عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ رَسُوْلَ اللّٰهِ ﷺ قَدِمَ الْمَدِينَةِ فَوَجَدَ الْيَهُودَ صِيَامًا يَوْمَ عَاشُورَاءَ فَقَالَ لَهُمْ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ: «مَا هٰذَا الْيَوْمُ الَّذِىْ تَصُومُونَه؟» فَقَالُوا: هٰذَا يَوْمٌ عَظِيمٌ: أَنْجَى اللّٰهُ فِيهِ مُوسٰى وَقَوْمَه وَغَرَّقَ فِرْعَوْنَ وَقَوْمَه فَصَامَه مُوسٰى شُكْرًا فَنَحْنُ نَصُومُه فَقَالَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ: «فَنَحْنُ أَحَقُّ وَأَوْلٰى بِمُوسٰى مِنْكُمْ» فَصَامَه رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ وَأَمَرَ بِصِيَامِه. (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)

ইবনু 'আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাদীনায় গমন করার পর দেখলেন ইয়াহূদীরা ‘আশূরার দিন সওম রাখে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাদের জিজ্ঞেস করলেন, এ দিনটার বৈশিষ্ট্য কি যে, তোমরা সাওম রাখো? তারা বলল, এটা একটি গুরুত্ববহ দিন। এ দিনে আল্লাহ তা‘আলা মূসা (আঃ) ও তাঁর জাতিকে মুক্তি দিয়েছেন। আর ফির্‘আওন ও তার জাতিকে (সমুদ্রে) ডুবিয়েছেন। মূসা (আঃ) শুকরিয়া হিসেবে এ দিন সাওম রেখেছেন। অতএব তাঁর অনুসরণে আমরাও রাখি।এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ দ্বীনের দিক দিয়ে আমরা মূসার বেশী নিকটে আর তার তরফ থেকে শুকরিয়া আদায়ের ব্যাপারে তোমাদের চেয়ে আমরা বেশী হকদার। বস্তুত ‘আশূরার দিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজেও সাওম রেখেছেন অন্যদেরকেও রাখার হুকুম দিয়েছেন। (বুখারী, মুসলিম)[১]

[১] সহীহ : বুখারী ২০০৪, মুসলিম ১১৩০, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৮৬৯৭, ইবনু মাজাহ ১৭৩৪, আহমাদ ৩১১২, সহীহ ইবনু হিব্বান ৩৬২৫।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন