২/০. অধ্যায়ঃ
ইলম (বিদ্যা) - প্রথম অনুচ্ছেদ
’ইলমের মর্যাদা এবং ’ইলম অর্জন করা ও শিক্ষা দেয়ার মর্যাদা বিষয়ে যা কিছু ’ইলমের সাথে সংশ্লিষ্ট তার বিবরণ, ভাষাগতভাবে ’ইলম কি? এবং ’ইলমের ফরয ও নফলের বিবরণ। এছাড়া ’ইলমের সাথে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয়, এখানে ’ইলমের সারবস্ত্ত ও বাস্তবতার বিবরণ আনা হয়নি, কেননা সারবস্ত্ত কিতাবের বিষয় নয়। কিতাবুল ’ইলম সকল কিতাবের কেন্দ্রবিন্দু। তাই এটিকেই অন্য সব কিতাবের পূর্বভাগে স্থান দেয়া হয়েছে। আবার এটিকে কিতাবুল ঈমান ও এতদসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় যেমন- তাক্বদীর, কবরের শাস্তি, কিতাবুল্লাহ ও সুন্নাতে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে আঁকড়ে ধরা কিংবা কুফর এবং ঈমানে বিঘ্ন সৃষ্টিকারী অন্যান্য বিষয়ের পূর্বে স্থান দেয়া হয়নি। কারণ শারী’আতের দায়িত্ব পালনের যোগ্য ব্যক্তির জন্য সর্বপ্রথম ওয়াজিব এবং সর্বাধিক সম্মানিত বিষয় হচ্ছে ঈমান। এক্ষেত্রে ’ইলম অন্বেষণকারীর জন্য উচিত হবে ইবনু জামা’আরتذكرة السامع والمتعلمমৃঃ ৭৩৩ হিজরী, ইবনু ’আবদুল বার-এরجامع بيان العلمমৃঃ ৪৬২ হিজরী এবং এ বিষয়ের আরো অন্যান্য কিতাব অধ্যয়ন করা।
মিশকাতুল মাসাবিহ : ২০৭-[১০]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ২০৭-[১০]
وَعَنْ شَقِيْقٍ قَالَ كَانَ عَبْدُ اللهِ بْنِ مَسْعُوْدٍ يُذَكِّرُ النَّاسَ فِي كُلِّ خَمِيسٍ فَقَالَ لَه رَجُلٌ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمنِ لَوَدِدْتُ أَنَّكَ ذَكَّرْتَنَا فِي كُلَّ يَوْمٍ قَالَ أَمَا إِنَّه يَمْنَعُنِي مِنْ ذلِكَ أَنِّي أَكْرَه أَنْ أُمِلَّكُمْ وَإِنِّي أَتَخَوَّلُكُمْ بِالْمَوْعِظَةِ كَمَا كَانَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ يَتَخَوَّلُنَا بِهَا مَخَافَةَ السَّاۤمَةِ عَلَيْنَا. مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ
ইবনু মাস'উদ (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) প্রত্যেক বৃহস্পতিবারে লোকজনের সামনে ওয়ায-নাসীহাত করতেন। একদিন এক ব্যক্তি তাঁকে বললেন, হে আবূ ‘আবদুর রহমান! আমরা চাই, আপনি এভাবে প্রতিদিন আমাদেরকে ওয়ায-নাসীহাত করুন। তখন তিনি ‘আবদুল্লাহ ইবনু মাস’উদ (রাঃ) বললেন, এরূপ করতে আমাকে এ কথাই বাধা দিয়ে থাকে যে, আমি প্রতিদিন (ওয়ায-নাসীহাত) করলে তোমরা বিরক্ত হয়ে উঠবে। এ কারণে আমি মাঝে মধ্যে ওয়ায-নাসীহাত করে থাকি, যেমনিভাবে আমাদেরকে ওয়ায-নাসীহাত করার ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ (ﷺ) লক্ষ্য রাখতেন যাতে আমাদের মধ্যে বিরক্তির উদ্রেক না হয়। [১]
[১] সহীহ : বুখারী ৭০, মুসলিম ২৮২১।
