৭/৭. অধ্যায়ঃ
নফল সিয়ামের ইফতারের বিবরণ - প্রথম অনুচ্ছেদ
’আল্লামা ’আলী কারী (রহঃ) বলেন, অপর অনুলিপিতে রয়েছে(في توابع لصوم التطوع) অর্থাৎ- নফল সিয়ামের অনুগামী।
মিশকাতুল মাসাবিহ : ২০৭৯-[৪]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ২০৭৯-[৪]
عَنْ أُمِّ هَانِئٍ رَضِيَ اللّٰهُ عَنْهَا قَالَتْ: لَمَّا كَانَ يَوْمُ الْفَتْحِ فَتْحِ مَكَّةَ جَاءَتْ فَاطِمَةُ فَجَلَسَتْ عَلٰى يَسَارِ رَسُولِ اللّٰهِ ﷺ وَأَمُّ هَانِئٍ عَنْ يَمِينِه فَجَاءَتِ الْوَلِيدَةُ بِإِنَاءٍ فِيهِ شَرَابٌ فَنَاوَلَتْهُ فَشَرِبَ مِنْهُ ثُمَّ نَاوَلَه أُمَّ هَانِئٍ فَشَرِبَتْ مِنْهُ فَقَالَتْ: يَا رَسُوْلَ اللّٰهِ لَقَدْ أَفْطَرْتُ وَكُنْتُ صَائِمَةً فَقَالَ لَهَا: أَكُنْتِ تَقْضِينَ شَيْئًا؟» قَالَتْ: لَا. قَالَ: «فَلَا يَضُرُّكِ إِنْ كَانَ تَطَوُّعًا. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَالتِّرْمِذِىُّ وَالدَّارِمِىُّ وَفِىْ رِوَايَةٍ لِأَحْمَدَ وَالتِّرْمِذِىِّ نَحْوُه وَفِيهِ فَقَالَتْ: يَا رَسُوْلَ اللّٰهِ أَمَا إِنِّىْ كُنْتُ صَائِمَةً فَقَالَ: «الصَّائِمُ أَمِيرُ نَفْسِه إِنْ شَاءَ صَامَ وَإِنْ شَاءَ أفْطَر
উম্মু হানী (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
মক্কা বিজয়ের দিন ফাতিমা (রাঃ) এলেন এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাম পাশে বসলেন। আর উম্মু হানী (রাঃ) ছিলেন তাঁর ডান পাশে। এ সময় একটি দাসী হাতে একটি পাত্র নিয়ে এলো। এতে কিছু পানীয় ছিল। দাসীটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে পান পাত্রটি রাখল। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেখান থেকে কিছু পান করে তা উম্মু হানীকে দিলেন। উম্মু হানী (রাঃ)-ও ঐ পাত্র হতে কিছু পান করে বলতে লাগলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি তো ইফতার করে ফেলেছি। অথচ আমি সায়িম ছিলাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাকে জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি রমাযান (রমজান) মাসের কোন সাওম বা মানৎ কাযা করছিলে? উম্মু হানী (রাঃ) বললেন, না। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন বললেন, নফল সাওম হলে কোন অসুবিধা নেই- (আবূ দাঊদ, তিরমিযী, দারিমী)।ইমাম আহমদ ও আত্ তিরমিযীর এক বর্ণনায় এরূপই বর্ণিত হয়েছে। আর এতে আরো আছে, তখন উম্মু হানী (রাঃ) বললেন, আপনার জানা থাকতে পারে যে, আমি সায়িম। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ নফল সায়িম নিজের নাফসের মালিক (সে রাখতেও পারে ভাঙতেও পারে)।[১]
[১] সহীহ : ২৪৫৬, তিরমিযী ৭৩১, দারিমী ১৭৭৭, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ৮৩৫০, মু‘জামুল কাবীর লিত্ব ত্ববারানী ১০৩৫, আহমাদ ২৬৮৯৩, সহীহ আল জামি‘ ৩৮৫৪।
