১০/৫. অধ্যায়ঃ
বিভিন্ন সময়ের পঠিতব্য দোয়া - প্রথম অনুচ্ছেদ
বিভিন্ন সময়ে পাঠ করার জন্য আলাদাভাবে ভিন্ন ভিন্ন দু’আ রয়েছে, শারী’আত কর্তৃক যা নির্ধারিত। আর এখানে সময় হলো কাজের জন্য নির্ধারিত কাল বা সময়। যেমন- সালাত, যাকাত ও হাজ্জের সময়। এছাড়াও অবস্থাভেদে বিভিন্ন দু’আ শারী’আত কর্তৃক নির্ধারিত। অর্থাৎ- বিভিন্ন অবস্থার জন্য নির্ধারিত বিভিন্ন দু’আগুলো শারী’আত কর্তৃক বর্ণিত রয়েছে। যেমন- রাগের অবস্থা ও যুদ্ধের জন্য শত্রুর মুখোমুখি সারিবদ্ধ অবস্থা এবং আরো অনুরূপ অনেক অবস্থা রয়েছে। এছাড়াও নির্দিষ্ট সময়গুলোতে পঠিতব্য দু’আগুলো বর্ণিত রয়েছে, শারী’আত যা সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছে।
মিশকাতুল মাসাবিহ : ২৪২৫-[১০]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ২৪২৫-[১০]
وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: كَانَ رَسُوْلُ اللّٰهِ ﷺ إِذَا قَفَلَ مِنْ غَزْوٍ أَوْ حَجٍّ أَوْ عُمْرَةٍ يُكَبِّرُ عَلٰى كُلِّ شَرَفٍ مِنَ الْأَرْضِ ثَلَاثَ تَكْبِيرَاتٍ ثُمَّ يَقُولُ: «لَا إِلٰهَ إِلَّا اللّٰهُ وَحْدَه لَا شَرِيكَ لَه لَهُ الْمُلْكُ وَلَهُ الْحَمْدُ وَهُوَ عَلٰى كلِّ شَىْءٍ قَديْرٌ اٰيِبُوْنَ تَائِبُوْنَ عَابِدُوْنَ سَاجِدُوْنَ لِرَبِّنَا حَامِدُوْنَ صَدَقَ اللّٰهُ وَعْدَه وَنَصَرَ عَبْدَه وَهَزَمَ الْأَحْزَابَ وَحْدَه». (مُتَّفَقٌ عَلَيْهِ)
আবদুল্লাহ ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কোন যুদ্ধ, হজ্জ বা ‘উমরাহ্ হতে ফিরে আসতেন, তখন প্রতিটি উঁচু স্থানে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তিনবার করে তাকবীর দিতেন। আর বলতেন,‘‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহদাহূ লা- শারীকা লাহূ লাহুল মুল্কু ওয়ালাহুল হাম্দু ওয়াহুওয়া ‘আলা- কুল্লি শাইয়িন কদীর। আ-য়িবূনা, তা-য়িবূনা ‘আ-বিদূনা ‘সা-জিদূনা লিরব্বিনা- হা-মিদূনা। সদাকল্ল-হু ওয়া‘দাহূ, ওয়া নাসারা ‘আবদাহূ ওয়া হাযামাল আহযা-বা ওয়াহদাহূ।’’(অর্থাৎ- আল্লাহ ছাড়া প্রকৃতপক্ষে কোন মা‘বূদ নেই। তিনি একক, তাঁর কোন শারীক নেই। সাম্রাজ্য তাঁরই, তাঁরই প্রশংসা। তিনি সব জিনিসের উপরই ক্ষমতাবান। আমরা প্রত্যাবর্তন করছি তাওবাহকারী, ‘ইবাদাতকারী, সাজদাহকারী এবং আমাদের রবের প্রশংসাকারী হিসেবে। আল্লাহ তার ওয়া‘দাকে সত্যে রূপান্তরিত করেছেন। তিনি তার বান্দাকে সাহায্য করেছেন এবং শত্রুর সমন্বিত শক্তিকে একাই পরাজিত করেছেন।)। (বুখারী, মুসলিম)[১]
[১] সহীহ : বুখারী ১৭৯৭, ৬৩৮৫, মুসলিম ১৩৪৪, আবূ দাঊদ ২৭৭০, মুয়াত্ত্বা মালিক ১৫৯৫, সহীহ আল জামি‘ ৪৭৬৯।
