১০/৫. অধ্যায়ঃ
বিভিন্ন সময়ের পঠিতব্য দোয়া - প্রথম অনুচ্ছেদ
বিভিন্ন সময়ে পাঠ করার জন্য আলাদাভাবে ভিন্ন ভিন্ন দু’আ রয়েছে, শারী’আত কর্তৃক যা নির্ধারিত। আর এখানে সময় হলো কাজের জন্য নির্ধারিত কাল বা সময়। যেমন- সালাত, যাকাত ও হাজ্জের সময়। এছাড়াও অবস্থাভেদে বিভিন্ন দু’আ শারী’আত কর্তৃক নির্ধারিত। অর্থাৎ- বিভিন্ন অবস্থার জন্য নির্ধারিত বিভিন্ন দু’আগুলো শারী’আত কর্তৃক বর্ণিত রয়েছে। যেমন- রাগের অবস্থা ও যুদ্ধের জন্য শত্রুর মুখোমুখি সারিবদ্ধ অবস্থা এবং আরো অনুরূপ অনেক অবস্থা রয়েছে। এছাড়াও নির্দিষ্ট সময়গুলোতে পঠিতব্য দু’আগুলো বর্ণিত রয়েছে, শারী’আত যা সুস্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছে।
মিশকাতুল মাসাবিহ : ২৪২৭-[১২]
মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ২৪২৭-[১২]
وَعَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ بُسْرٍ قَالَ: نَزَلَ رَسُولِ اللّٰهِ ﷺ عَلٰى اَبِىْ فَقَرَّبْنَا إِلَيْهِ طَعَامًا وَوَطْبَةً فَأَكَلَ مِنْهَا ثُمَّ أُتِىَ بِتَمْرٍ فَكَانَ يَأْكُلُه وَيُلْقِى النَّوٰى بَيْنَ أُصْبُعَيْهِ وَيَجْمَعُ السَّبَّابَةَ وَالْوُسْطٰى وَفِىْ رِوَايَةٍ: فَجَعَلَ يُلْقِى النَّوٰى عَلٰى ظَهْرِ أُصْبُعَيْهِ السَّبَّابَةِ وَالْوُسْطٰى ثُمَّ أُتِىَ بِشَرَابٍ فَشَرِبَه فَقَالَ أَبِىْ وَأَخَذَ بِلِجَامِ دَابَّتِه: اُدْعُ اللّٰهَ لَنَا فَقَالَ: «اَللّٰهُمَّ بَارِكْ لَهُمْ فِيمَا رَزَقْتَهُمْ وَاغْفِرْ لَهُمْ وَارْحَمْهُمْ». رَوَاهُ مُسْلِمٌ
আবদুল্লাহ ইবনু বুসর (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ
একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার পিতার কাছে আসলেন। আমরা তাঁর সামনে কিছু খাদ্য ও হায়স (খেজুর, পনির ও ঘি মিশ্রিত এক জাতীয় মিষ্টান্ন) দিলাম। এর থেকে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কিছু খেলেন, তারপর তাঁর কাছে আরও কিছু খেজুর আনা হলো। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা খেতে লাগলেন। তর্জনী ও মধ্যমা আঙুল দিয়ে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) খেজুরের মধ্যখান দিয়ে বিচি বের করতে লাগলেন।অন্য এক বর্ণনায় আছে, তর্জনী ও মধ্যমা আঙুলের পিঠের দিক দিয়ে বিচি ফেলতে থাকলেন। অতঃপর তাঁর কাছে কিছু পানীয় আনা হলে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তা পান করলেন। [তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সেখান থেকে রওনা হলে] আমার পিতা তাঁর আরোহীর লাগাম ধরে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের জন্য আল্লাহর কাছে দু‘আ করুন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তখন বললেন, ‘‘আল্ল-হুম্মা বা-রিক লাহুম ফীমা- রযাকতাহুম ওয়াগফির লাহুম, ওয়ারহামহুম’’ (অথাৎ- হে আল্লাহ! তুমি তাদেরকে যা দান করেছো তাতে বারাকাত দাও এবং তাদেরকে ক্ষমা করো ও তাদের ওপর অনুগ্রহ করো)। (মুসলিম)[১]
[১] সহীহ : মুসলিম ২০৪২, আবূ দাঊদ ৩৭২৯, তিরমিযী ৩৫৭৬, আহমাদ ১৭৬৭৫, সুনানুল কুবরা লিল বায়হাক্বী ১৪৫৯৮, আল কালিমুত্ব ত্বইয়্যিব ১৯২।
