১১/১. অধ্যায়ঃ

ইহরাম ও তালবিয়া - প্রথম অনুচ্ছেদ

’আল্লামা আলক্বারী বলেনঃ ইহরামের প্রকৃত অর্থ হলো সম্মানিত স্থানে বা কাজে প্রবেশ করা। এর দ্বারা উদ্দেশ্য বিশেষ সম্মানিত কাজ। শারী’আতে হজের জন্য এ ধরনের ইহরাম শর্ত। তবে তা নিয়্যাত ও তালবিয়াহ্ ব্যতীত বাস্তবায়ন হয় না। অতএব ইহরামের উপর তালবিয়ার ’আত্ফটি ’আম-এর উপর খাসে ’আত্ফ।গুনিয়্যাতুন্ নাসিক-এর লেখক বলেনঃ ইহরামের শাব্দিক অর্থ হলো- হুরসাত তথা সম্মানিত কাজে প্রবেশ করা।শারী’আতের পরিভাষায় নির্দিষ্ট সম্মানিত কাজে প্রবেশ করা এবং তার ওপর অটল থাকাকে ইহরাম বলে। তবে এ অটল থাকা নিয়্যাত এবং নির্দিষ্ট যিকির ব্যতীত বাস্তবায়িত হয় না। সুস্পষ্ট মুতাওয়াতির বর্ণনা দ্বারা সাব্যস্ত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুলহুলায়ফাহ্ নামক স্থানে পৌঁছে ইহরাম বেঁধেছেন এবং ইহরামের সময় নির্দিষ্ট, ইফরাদ, কিরান বা তামাত্তু’ হজের উল্লেখ করেছেন।এটাও সাব্যস্ত আছে যে, ইহরাম বাঁধার সময় প্রথম তালবিয়াহ্ হতেই তিনি তা নির্দিষ্ট করেছেন এবং এ সময় তিনি তালবিয়াহ্ পাঠ করেছেন। অতএব যিনি হজ্জ/হজ অথবা ’উমরা এর উদ্দেশে মীকাতে পৌঁছাবেন, তিনি ইহরামের নিয়্যাতে বলবেন (যদি ’উমরার ইচ্ছা করেন)’’লাব্বায়কা ’উমরাতান’’অথবা’’আল্লা-হুম্মা লাব্বায়কা ’উমরাতান’’। হজের নিয়্যাত থাকলে বলবেন’’লাব্বায়কা হাজ্জান’’অথবা বলবেন’’আল্লা-হুম্মা লাব্বায়কা হাজ্জান’’। কেননা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাই করেছেন।

মিশকাতুল মাসাবিহহাদিস নম্বর ২৫৪৪-[৫]

وَعَنْ أَنَسٍ ؓ قَالَ: كُنْتُ رَدِيفَ أَبِىْ طَلْحَةَ وَإِنَّهُمْ لَيَصْرُخُونَ بِهِمَا جَمِيعًا: اَلْحَجِّ وَالْعُمْرَةِ. رَوَاهُ البُخَارِىُّ

আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিতঃ

আমি একই সওয়ারীতে আবূ ত্বলহাহর সাথে পিছনে বসেছিলাম, তখন সাহাবীগণ সম্মিলিতভাবে হজ্জ ও ‘উমরার জন্যে উচ্চস্বরে তালবিয়াহ্ পাঠ করছিলেন। (বুখারী)[১]

[১] সহীহ : বুখারী ২৯৮৬, আহমাদ ১২৬৭৮, মু‘জামুল আওসাত লিত্ব ত্ববারানী ৮১৪।

সেটিংস

ভাষা

ফন্ট সেটিংস

আরবি ফন্ট ফেস

আরবি ফন্ট সাইজ

২৪

অনুবাদ ফন্ট সাইজ

১৮

রিডিং লেআউট

আল হাদিস অ্যাপ ডাউনলোড করুন

App Banner

ইসলামের জ্ঞান প্রচারে সহায়ক হোন

আপনার নিয়মিত সহায়তা আমাদের দ্বীনি ভাই-বোনের কাছে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে সাহয্য করবে। আমাদের মিশনে আপনিও অংশ নিন এবং বড় পরিবর্তনের অংশীদার হোন।

সাপোর্ট করুন